বিমানঘাঁটির কাছে বিস্ফোরক সন্দেহে বাড়িঘর খালি

- আপডেট সময় : ০৫:৪২:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৫২৫ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটির কাছে বিস্ফোরক-সংক্রান্ত অপরাধের সন্দেহে কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে নিরাপত্তার স্বার্থে বেশ কয়েকটি বাড়ি থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। রোববার গ্লুচেস্টারশায়ার পুলিশ জানিয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিম ইংল্যান্ডের হুইলফোর্ড এলাকার কয়েকটি বাড়ির বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাদের কাছাকাছি একটি অবসরকেন্দ্রে নেওয়া হচ্ছে।
ঘটনাস্থলে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর বিশেষায়িত বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়করণ দল বা ইওডি মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে দলটি বেশ কয়েকটি যানবাহন পরীক্ষা করছে। গ্লুচেস্টারশায়ার পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে সেনাবাহিনীর বিশেষায়িত বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়করণ দল বর্তমানে কয়েকটি যানবাহন পরীক্ষা করছে।
আরও পড়ুন,
- বন্যা ও ভূমিধসে বিপর্যস্ত উত্তর প্রদেশ
- রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা নিয়ে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা প্রশ্নে তাসনিম জারা
- সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনায় আটক ৩
পুলিশ আরও জানিয়েছে বিস্ফোরক আইনের আওতায় অপরাধ সংঘটনের সন্দেহে কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে তাদের সংখ্যা বা পরিচয় এবং কী ধরনের বিস্ফোরক কিংবা সন্দেহজনক বস্তু পাওয়া গেছে সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি। হুইলফোর্ডের কাছেই রয়েছে আরএএফ ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটি। ঘাঁটিটি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করে আসছে। ফলে এর আশপাশে বিস্ফোরক-সংক্রান্ত সন্দেহজনক তৎপরতায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
আরও পড়ুন,
- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সিঙ্গাপুরের বিদায়ী কূটনীতিকের সৌজন্য সাক্ষাৎ
- জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- মিরপুরের টিকাকেন্দ্র ধ্বংস নিয়ে হাসনাতের ক্ষোভ
তবে ঘটনাটিকে সন্ত্রাসবাদী হামলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে কি না কিংবা বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে কোনো হামলার পরিকল্পনা ছিল কি না সে বিষয়ে পুলিশ এখনো কোনো মন্তব্য করেনি। এদিকে তদন্ত চলাকালে এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয়করণ দলের পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত বাসিন্দাদের সরিয়ে রাখা হচ্ছে।
ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং সন্দেহজনক যানবাহনগুলোতে কোনো বিস্ফোরক বা বিস্ফোরক তৈরির উপকরণ ছিল কি না তা তদন্ত শেষ হওয়ার পরই স্পষ্ট হতে পারে। বিমানঘাঁটির কার্যক্রমে এ ঘটনায় কোনো প্রভাব পড়েছে কি না সে বিষয়েও কর্তৃপক্ষ এখনো বিস্তারিত জানায়নি।


























