মিরপুরের টিকাকেন্দ্র ধ্বংস নিয়ে হাসনাতের ক্ষোভ

- আপডেট সময় : ১২:০৮:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৫৫৮ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর মিরপুর-১ এলাকায় রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা লুটপাট ও ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাকে ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি দখলের সঙ্গে তুলনা করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।
শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। পোস্টে তিনি দাবি করেন, ফিলিস্তিনে শিশুদের হাসপাতাল ধ্বংস করে জমি দখলের মতো মিরপুরের শিশুদের টিকাকেন্দ্রও গুঁড়িয়ে দিয়ে জমি দখলের চেষ্টা করা হয়েছে। তার পোস্টে ঘটনাটির সঙ্গে স্থানীয় বিএনপির এক সংরক্ষিত আসনের এমপির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও তোলা হয়। এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হয়নি।
এর আগে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলার ঘটনা ঘটে। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের অভিযোগ অনুযায়ী, মুখোশধারী দুই শতাধিক ব্যক্তি কেন্দ্রে প্রবেশ করে দুই নিরাপত্তাকর্মীকে জিম্মি করেন। পরে কেন্দ্রের একটি পাকা ও তিনটি সেমিপাকা ভবন ভাঙচুর করা হয় এবং বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জাম ও অন্যান্য মালামাল লুটের অভিযোগ ওঠে।
রাড্ডা কর্তৃপক্ষের দাবি, হামলায় প্রায় দেড় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। লুট হওয়া সামগ্রীর মধ্যে টিকা ও টিকাদান-সংক্রান্ত নথি চিকিৎসা সরঞ্জাম নগদ অর্থ কম্পিউটারসহ বিভিন্ন সামগ্রী রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ডা. নাসরিন আখতার অভিযোগ করেছেন, জমি দখলের উদ্দেশ্যেই হামলাটি করা হয়েছে। এ ঘটনায় শাহ আলী থানায় মামলা করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মামলায় একজনের নাম উল্লেখ করে আরও ২০০ থেকে ২৫০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ২৬ সেপ্টেম্বর চারজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে পুলিশ। শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হামলার সময় ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত ছিল। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অর্থের বিনিময়ে হামলায় অংশ নেওয়ার কথা স্বীকার করার তথ্যও পুলিশ জানিয়েছে।
প্রায় পাঁচ দশক ধরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারটি মিরপুর এলাকার সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা মাতৃসেবা পরিবার পরিকল্পনা ও শিশুদের টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল বলে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। হামলার পর স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
ঘটনাটি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনেও প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। তবে জমি দখল বা রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
দখলের সঙ্গে তুলনা করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। পোস্টে তিনি দাবি করেন, ফিলিস্তিনে শিশুদের হাসপাতাল ধ্বংস করে জমি দখলের মতো মিরপুরের শিশুদের টিকাকেন্দ্রও গুঁড়িয়ে দিয়ে জমি দখলের চেষ্টা করা হয়েছে। তার পোস্টে ঘটনাটির সঙ্গে স্থানীয় বিএনপির এক সংরক্ষিত আসনের এমপির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও তোলা হয়। এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হয়নি।
এর আগে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলার ঘটনা ঘটে। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের অভিযোগ অনুযায়ী, মুখোশধারী দুই শতাধিক ব্যক্তি কেন্দ্রে প্রবেশ করে দুই নিরাপত্তাকর্মীকে জিম্মি করেন। পরে কেন্দ্রের একটি পাকা ও তিনটি সেমিপাকা ভবন ভাঙচুর করা হয় এবং বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জাম ও অন্যান্য মালামাল লুটের অভিযোগ ওঠে। M রাড্ডা কর্তৃপক্ষের দাবি, হামলায় প্রায় দেড় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। লুট হওয়া সামগ্রীর মধ্যে টিকা ও টিকাদান-সংক্রান্ত নথি চিকিৎসা সরঞ্জাম নগদ অর্থ কম্পিউটারসহ বিভিন্ন সামগ্রী রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ডা. নাসরিন আখতার অভিযোগ করেছেন, জমি দখলের উদ্দেশ্যেই হামলাটি করা হয়েছে। এ ঘটনায় শাহ আলী থানায় মামলা করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মামলায় একজনের নাম উল্লেখ করে আরও ২০০ থেকে ২৫০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ২৬ সেপ্টেম্বর চারজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে পুলিশ। শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হামলার সময় ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত ছিল। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অর্থের বিনিময়ে হামলায় অংশ নেওয়ার কথা স্বীকার করার তথ্যও পুলিশ জানিয়েছে।
প্রায় পাঁচ দশক ধরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারটি মিরপুর এলাকার সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা মাতৃসেবা পরিবার পরিকল্পনা ও শিশুদের টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল বলে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। হামলার পর স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনেও প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। তবে জমি দখল বা রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।



























