ঢাকা ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফুলবাড়ীতে মাসিক আইন শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে প্রাণ বঙ্গ মিলার্স লিমিটেড এর কর্মকর্তাদের সৌজন্যে সাক্ষাৎ ফুলবাড়ীর সীমান্তে বিজিবি পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে ৫ লক্ষ ৩৯ হাজার ৮ শত ৯০ টাকার মাদক আটক করেন বাগদান ও বিবাহসংক্রান্ত অভিযোগ এবং কূটনৈতিক মর্যাদার অপব্যবহার চোর সন্দেহে রংপুরে ৩ জনকে পিটিয়ে হত্যা ফুলবাড়ীতে মাইক্রোওয়েভ স্টেশনটি সংস্কার না করায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে গেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৭৭, মামলা ৩৪ সারাদেশে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো দুর্গাপূজা উৎসব আটোয়ারীতে নসিমনের (ভটভটি) ধাক্কায় সাইকেল আরোহীর মৃত্যু

কোটভাগ দাখিল মাদরাসার সুপারের অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ

মহিদুল ইসলাম, মাগুরা জেলা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১০:৩০:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৫৪৯ বার পড়া হয়েছে

সরকারি অনুদান ও মাদ্রাসার বিভিন্ন খাতের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে কোটভাগ দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. আবু দাউদের বিরুদ্ধে। মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, সরকারি বরাদ্দসহ বিভিন্ন খাতের অর্থের যথাযথ হিসাব দেওয়া হচ্ছে না।

অভিযোগে বলা হয়েছে, মাদ্রাসায় গাছ লাগানোর জন্য প্রতি বছর সরকারি বরাদ্দ হিসেবে প্রায় ৫ হাজার টাকা আসে। কিন্তু ওই অর্থ গাছ লাগানোর কাজে ব্যয় না করে আত্মসাৎ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া প্রকাশনী থেকে প্রতিবছর ১২ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত পাওয়া গেলেও ওই অর্থ শিক্ষকদের দেওয়া হয় না বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

মাদ্রাসার পুরোনো বই বিক্রির অর্থ নিয়েও রয়েছে অভিযোগ। অভিযোগকারীদের দাবি, প্রতি বছর পুরোনো বই বিক্রি করা হলেও সেই অর্থের কোনো হিসাব শিক্ষকদের দেওয়া হয় না। তাদের দাবি, প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ পুরোনো বই বিক্রি করা হলেও এর আর্থিক হিসাবও অস্পষ্ট।

দাখিল পরীক্ষার্থীদের বোর্ড ফি নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, বোর্ড নির্ধারিত ফি ১ হাজার ৭০০ টাকা হলেও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৩ হাজার ৩০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত নেওয়া অর্থের কোনো হিসাব শিক্ষকদের জানানো হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ২০২৪ সালে মন্ত্রণালয়ের অডিটকে কেন্দ্র করে শিক্ষকদের কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছিল। তবে ওই অর্থ কোথায় এবং কীভাবে ব্যয় হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো হিসাব দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগকারীদের দাবি।

এ ছাড়া ২০২৩ সালে মাদ্রাসার জন্য ৫ লাখ টাকা অনুদান আসে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এর মধ্যে শিক্ষকদের জন্য ১ লাখ টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও তারা ওই অর্থ পাননি এবং বাকি অর্থ কোন খাতে ব্যয় হয়েছে সে বিষয়েও শিক্ষকরা অবগত নন বলে অভিযোগ রয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন কোটভাগ দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. আবু দাউদ। তাঁর দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তিনি আরও বলেন, কোনো শিক্ষক জালিয়াতি বা ভুয়া সনদ তৈরির সঙ্গে জড়িত থাকলে বিষয়টি সংবাদে প্রকাশ করা হলে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগগুলো সত্য কি না, তা যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে মাদ্রাসার বিভিন্ন খাতের আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ এবং অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশের নামাজের সময় সূচি

সেহরির শেষ সময় - ভোর: ৪:৪০
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা: ৫:২৮
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৪৬
  • ১১:৪৬
  • ৩:৪৮
  • ৫:২৮
  • ৬:৪২
  • ৬:০০

কোটভাগ দাখিল মাদরাসার সুপারের অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:৩০:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

সরকারি অনুদান ও মাদ্রাসার বিভিন্ন খাতের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে কোটভাগ দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. আবু দাউদের বিরুদ্ধে। মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, সরকারি বরাদ্দসহ বিভিন্ন খাতের অর্থের যথাযথ হিসাব দেওয়া হচ্ছে না।

অভিযোগে বলা হয়েছে, মাদ্রাসায় গাছ লাগানোর জন্য প্রতি বছর সরকারি বরাদ্দ হিসেবে প্রায় ৫ হাজার টাকা আসে। কিন্তু ওই অর্থ গাছ লাগানোর কাজে ব্যয় না করে আত্মসাৎ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া প্রকাশনী থেকে প্রতিবছর ১২ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত পাওয়া গেলেও ওই অর্থ শিক্ষকদের দেওয়া হয় না বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

মাদ্রাসার পুরোনো বই বিক্রির অর্থ নিয়েও রয়েছে অভিযোগ। অভিযোগকারীদের দাবি, প্রতি বছর পুরোনো বই বিক্রি করা হলেও সেই অর্থের কোনো হিসাব শিক্ষকদের দেওয়া হয় না। তাদের দাবি, প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ পুরোনো বই বিক্রি করা হলেও এর আর্থিক হিসাবও অস্পষ্ট।

দাখিল পরীক্ষার্থীদের বোর্ড ফি নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, বোর্ড নির্ধারিত ফি ১ হাজার ৭০০ টাকা হলেও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৩ হাজার ৩০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত নেওয়া অর্থের কোনো হিসাব শিক্ষকদের জানানো হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ২০২৪ সালে মন্ত্রণালয়ের অডিটকে কেন্দ্র করে শিক্ষকদের কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছিল। তবে ওই অর্থ কোথায় এবং কীভাবে ব্যয় হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো হিসাব দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগকারীদের দাবি।

এ ছাড়া ২০২৩ সালে মাদ্রাসার জন্য ৫ লাখ টাকা অনুদান আসে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এর মধ্যে শিক্ষকদের জন্য ১ লাখ টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও তারা ওই অর্থ পাননি এবং বাকি অর্থ কোন খাতে ব্যয় হয়েছে সে বিষয়েও শিক্ষকরা অবগত নন বলে অভিযোগ রয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন কোটভাগ দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. আবু দাউদ। তাঁর দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তিনি আরও বলেন, কোনো শিক্ষক জালিয়াতি বা ভুয়া সনদ তৈরির সঙ্গে জড়িত থাকলে বিষয়টি সংবাদে প্রকাশ করা হলে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগগুলো সত্য কি না, তা যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে মাদ্রাসার বিভিন্ন খাতের আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ এবং অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।