ঢাকা ০২:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফুলবাড়ীতে মাসিক আইন শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে প্রাণ বঙ্গ মিলার্স লিমিটেড এর কর্মকর্তাদের সৌজন্যে সাক্ষাৎ ফুলবাড়ীর সীমান্তে বিজিবি পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে ৫ লক্ষ ৩৯ হাজার ৮ শত ৯০ টাকার মাদক আটক করেন বাগদান ও বিবাহসংক্রান্ত অভিযোগ এবং কূটনৈতিক মর্যাদার অপব্যবহার চোর সন্দেহে রংপুরে ৩ জনকে পিটিয়ে হত্যা ফুলবাড়ীতে মাইক্রোওয়েভ স্টেশনটি সংস্কার না করায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে গেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৭৭, মামলা ৩৪ সারাদেশে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো দুর্গাপূজা উৎসব আটোয়ারীতে নসিমনের (ভটভটি) ধাক্কায় সাইকেল আরোহীর মৃত্যু

ইরান যুদ্ধে শত শত স্থাপনা হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ১২:১৩:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৫২৭ বার পড়া হয়েছে

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির হিসাব উঠে এসেছে পেন্টাগনের নতুন প্রতিবেদনে। প্রতিরক্ষা বিভাগের ইন্সপেক্টর জেনারেলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেব্রুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত চলা চার মাসের সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র শত শত ভবন ও সামরিক স্থাপনা হারিয়েছে। ধ্বংস হয়েছে কমপক্ষে ৩০টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন।

এছাড়া এফ-১৫ই ও এফ-৩৫এ স্টিলথ যুদ্ধবিমান, রিফুয়েলিং ট্যাংকার এবং বিভিন্ন ধরনের হেলিকপ্টারও ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। চার মাসের এই যুদ্ধে শুধু অস্ত্র খাতেই যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছে প্রায় ২২ বিলিয়ন ডলার। সব মিলিয়ে যুদ্ধের মোট ব্যয় ৩৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডারকে অফুরন্ত বলে দাবি করলেও যুদ্ধের বাস্তবতায় অস্ত্রের ঘাটতি এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে।

ইরান ও তার মিত্রদের হামলার কারণে কুয়েত, সৌদি আরব, ইরাক ও জর্ডানসহ উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটির শত শত অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। সরাসরি সংঘর্ষে অন্তত ১১ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং চার শতাধিক সেনা আহত হয়েছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

শুধু সামরিক ঘাঁটি নয়, ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা মার্কিন দূতাবাস ও কূটনৈতিক মিশনগুলোও একাধিকবার হামলার মুখে পড়েছে। এসব স্থাপনা মেরামত ও নিরাপত্তা জোরদারে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১৮৪ মিলিয়ন ডলার। এদিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনার প্রভাব পড়েছে হরমুজ প্রণালিতেও। গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিস্থিতি আরও অনিশ্চয়তার দিকে যাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশের নামাজের সময় সূচি

সেহরির শেষ সময় - ভোর: ৪:৪০
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা: ৫:২৮
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৪৬
  • ১১:৪৬
  • ৩:৪৮
  • ৫:২৮
  • ৬:৪২
  • ৬:০০

ইরান যুদ্ধে শত শত স্থাপনা হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ১২:১৩:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির হিসাব উঠে এসেছে পেন্টাগনের নতুন প্রতিবেদনে। প্রতিরক্ষা বিভাগের ইন্সপেক্টর জেনারেলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেব্রুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত চলা চার মাসের সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র শত শত ভবন ও সামরিক স্থাপনা হারিয়েছে। ধ্বংস হয়েছে কমপক্ষে ৩০টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন।

এছাড়া এফ-১৫ই ও এফ-৩৫এ স্টিলথ যুদ্ধবিমান, রিফুয়েলিং ট্যাংকার এবং বিভিন্ন ধরনের হেলিকপ্টারও ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। চার মাসের এই যুদ্ধে শুধু অস্ত্র খাতেই যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছে প্রায় ২২ বিলিয়ন ডলার। সব মিলিয়ে যুদ্ধের মোট ব্যয় ৩৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডারকে অফুরন্ত বলে দাবি করলেও যুদ্ধের বাস্তবতায় অস্ত্রের ঘাটতি এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে।

ইরান ও তার মিত্রদের হামলার কারণে কুয়েত, সৌদি আরব, ইরাক ও জর্ডানসহ উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটির শত শত অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। সরাসরি সংঘর্ষে অন্তত ১১ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং চার শতাধিক সেনা আহত হয়েছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

শুধু সামরিক ঘাঁটি নয়, ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা মার্কিন দূতাবাস ও কূটনৈতিক মিশনগুলোও একাধিকবার হামলার মুখে পড়েছে। এসব স্থাপনা মেরামত ও নিরাপত্তা জোরদারে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১৮৪ মিলিয়ন ডলার। এদিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনার প্রভাব পড়েছে হরমুজ প্রণালিতেও। গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিস্থিতি আরও অনিশ্চয়তার দিকে যাচ্ছে।