ঢাকা ১১:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফুলবাড়ীতে মাসিক আইন শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে প্রাণ বঙ্গ মিলার্স লিমিটেড এর কর্মকর্তাদের সৌজন্যে সাক্ষাৎ ফুলবাড়ীর সীমান্তে বিজিবি পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে ৫ লক্ষ ৩৯ হাজার ৮ শত ৯০ টাকার মাদক আটক করেন বাগদান ও বিবাহসংক্রান্ত অভিযোগ এবং কূটনৈতিক মর্যাদার অপব্যবহার চোর সন্দেহে রংপুরে ৩ জনকে পিটিয়ে হত্যা ফুলবাড়ীতে মাইক্রোওয়েভ স্টেশনটি সংস্কার না করায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে গেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৭৭, মামলা ৩৪ সারাদেশে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো দুর্গাপূজা উৎসব আটোয়ারীতে নসিমনের (ভটভটি) ধাক্কায় সাইকেল আরোহীর মৃত্যু

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর রাহুল গান্ধীর ডাক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ১০:৪৭:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
  • / ৫৭২ বার পড়া হয়েছে

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রাহুল গান্ধী বলেন, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে পুনর্গঠনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্নফাঁস ও পরীক্ষা অনিয়মের বিরুদ্ধে আন্দোলন করা শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান।

রাহুল গান্ধী দাবি করেন, শিক্ষার্থীদের দুটি দাবি এখনও পূরণ হয়নি। এর মধ্যে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ক্ষমা চাওয়া এবং শিক্ষার্থীদের ওপর সহিংসতার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। তিনি বলেন, শিক্ষার্থী ছাড়াও কৃষক, শ্রমিক ও দরিদ্র মানুষ দীর্ঘদিন ধরে সরকারের নীতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এখন সংবিধানসম্মতভাবে নিজেদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষার সময় এসেছে। এই সরকারকে সরানোর সময় এসেছে—ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

প্রশ্নফাঁস ও বিভিন্ন পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা শিক্ষার্থী আন্দোলনের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ। সেই চাপের মুখেই শনিবার পদত্যাগ করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। পদত্যাগপত্রে ধর্মেন্দ্র প্রধান জানান, দেশের ঐক্য অটুট রাখা, শিক্ষার্থীদের আইনি জটিলতা থেকে দূরে রাখা এবং তাদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এর আগে আন্দোলনকারী সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিনিধিরা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানান। পরে সমাবেশে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে বলেন, প্রধান বিচারপতির একটি মন্তব্য থেকেই এই আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল। প্রশ্নফাঁস ও পরীক্ষা ব্যবস্থার অনিয়ম নিয়ে শুরু হওয়া এই আন্দোলন এখন ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনেও বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশের নামাজের সময় সূচি

সেহরির শেষ সময় - ভোর: ৪:৪০
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা: ৫:২৮
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৪৬
  • ১১:৪৬
  • ৩:৪৮
  • ৫:২৮
  • ৬:৪২
  • ৬:০০

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর রাহুল গান্ধীর ডাক

আপডেট সময় : ১০:৪৭:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রাহুল গান্ধী বলেন, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে পুনর্গঠনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্নফাঁস ও পরীক্ষা অনিয়মের বিরুদ্ধে আন্দোলন করা শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান।

রাহুল গান্ধী দাবি করেন, শিক্ষার্থীদের দুটি দাবি এখনও পূরণ হয়নি। এর মধ্যে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ক্ষমা চাওয়া এবং শিক্ষার্থীদের ওপর সহিংসতার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। তিনি বলেন, শিক্ষার্থী ছাড়াও কৃষক, শ্রমিক ও দরিদ্র মানুষ দীর্ঘদিন ধরে সরকারের নীতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এখন সংবিধানসম্মতভাবে নিজেদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষার সময় এসেছে। এই সরকারকে সরানোর সময় এসেছে—ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

প্রশ্নফাঁস ও বিভিন্ন পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা শিক্ষার্থী আন্দোলনের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ। সেই চাপের মুখেই শনিবার পদত্যাগ করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। পদত্যাগপত্রে ধর্মেন্দ্র প্রধান জানান, দেশের ঐক্য অটুট রাখা, শিক্ষার্থীদের আইনি জটিলতা থেকে দূরে রাখা এবং তাদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এর আগে আন্দোলনকারী সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিনিধিরা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানান। পরে সমাবেশে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে বলেন, প্রধান বিচারপতির একটি মন্তব্য থেকেই এই আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল। প্রশ্নফাঁস ও পরীক্ষা ব্যবস্থার অনিয়ম নিয়ে শুরু হওয়া এই আন্দোলন এখন ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনেও বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।