রাড্ডা ঘটনায় এমপি মিষ্টির পদত্যাগকে স্বাগত জানালেন সাহেব আলী

- আপডেট সময় : ০৯:৫১:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
- / ৫৩১ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের বিএনপি সরকারেরপ্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এবার সত্যিই একটা বাঘের মতো কাজ করছেন। অপরাধী নিজের দলের এমপি হলেও কোনো ছাড় নেই! মন্তব্যকারী মোঃ সাহেব আলী সহ-সভাপতি বাংলাদেশ সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটি ঢাকা।
ঢাকা মিরপুর ৫০ বছরের পুরোনো রাড্ডা মা ও শিশু স্বাস্থ্যকেন্দ্র গুঁড়িয়ে দিয়ে জমি দখলের চেষ্টার পেছনে এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি-র জড়ানোর পর, দলীয় হাইকমান্ড থেকে ওনাকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই অনুযায়ী আজ জাতীয় সংসদে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন তিনি।
স্বয়ং সংরক্ষিত আসনের এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি! কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবার প্রমাণ করে দিলেন, দলে কোনো চোর-বাটপার আর দখলদারের জায়গা নেই। ওনার সরাসরি নির্দেশে আজ জাতীয় সংসদে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দিতে বাধ্য হয়েছেন এমপি মিষ্টি। গত ২৪ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে প্রায় ২০০ জন অ*ধারী স*সী আর ভারী বুলডোজার নিয়ে মিরপুরের এই ঐতিহ্যবাহী রাড্ডা সেন্টারটা একদম মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়। উদ্দেশ্য ছিল কোটি কোটি টাকার এই সরকারি জমিটা দখল করা।
তদন্তে বের হয়ে এসেছে, এই হা*লার মূল হোতা মোহাম্মদ হানিফ মিয়া ও মোস্তফা জগলুল পাশা। এরা দুজনই এমপি মিষ্টির ডানহাত-বামহাত হিসেবে এলাকায় পরিচিত। এমপির গ্রিন সিগন্যাল ছাড়া এই সাহস তারা পেত না! ২০০৬ সালে মিষ্টি যখন কাউন্সিলর ছিলেন, তখন ‘সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতি’-র সভাপতি সেজে তিনিই এই রাড্ডার জায়গাটা বরাদ্দের জন্য লবিং করেছিলেন। সেই পুরোনো খায়েশ মেটাতেই এবার দলবল নিয়ে হা*লা চালানো হয়েছিল।
এই নোংরা ঘটনায় দল ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী বিন্দুমাত্র ছাড় দেননি। ওনাকে একদম ঘাড় ধরে পদত্যাগ করিয়েছেন। যদিও মিষ্টি এখন সাধু সাজার চেষ্টা করছেন। শুধু এমপি মিষ্টিই নন, এই ঘটনার জেরে অলরেডি ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের পুরো কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং ১৪ জন বড় বড় নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
সরকার সাফ জানিয়ে দিয়েছে অপরাধী যেই হোক, ছাড় নেই। প্রধানমন্ত্রীর এমন জিরো-টলারেন্স অ্যাকশনই দেখতে চেয়েছিল জনগণ আমি ব্যক্তিগতভাবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার এই সিদ্ধান্ত কে স্বাগত জানাই ধন্যবাদ জানাই যে নিজের দলের কাউকেই তিনি ক্ষমা করেন না অপরাধ করলে ছাড় নাই এটাই তার সিদ্ধান্ত ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রী আরেক রহমানকে।



























