রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ভাঙার ঘটনায় মিষ্টির পদত্যাগকে স্বাগত সাহেব আলীর

- আপডেট সময় : ০৯:১৫:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬
- / ৫২৪ বার পড়া হয়েছে

মিরপুরের রাড্ডা মা ও শিশু স্বাস্থ্যকেন্দ্র ভাঙার ঘটনায় সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন বাংলাদেশ সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মো. সাহেব আলী।
তিনি বলেন, অপরাধের অভিযোগ উঠলে দলীয় পরিচয় বিবেচনা না করে ব্যবস্থা নেওয়ার যে বার্তা দেওয়া হয়েছে, তা রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ। নিজের দলের এমপির বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কঠোর অবস্থান দেখিয়েছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সাহেব আলীর অভিযোগ, গত ২৪ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে প্রায় ২০০ জনের একটি দল ভারী বুলডোজার নিয়ে মিরপুরের প্রায় ৫০ বছরের পুরোনো রাড্ডা মা ও শিশু স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা চালিয়ে স্থাপনাটি গুঁড়িয়ে দেয়। তার দাবি, সরকারি এই জমি দখলের উদ্দেশ্যেই ঘটনাটি ঘটানো হয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, এ ঘটনায় মোহাম্মদ হানিফ মিয়া ও মোস্তফা জগলুল পাশার সম্পৃক্ততা রয়েছে এবং তারা সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির ঘনিষ্ঠ হিসেবে এলাকায় পরিচিত। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য এই বক্তব্যে পাওয়া যায়নি।
সাহেব আলী বলেন, ২০০৬ সালে কাউন্সিলর থাকাকালে ‘সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতি’র সভাপতি হিসেবে রাড্ডা কেন্দ্রের জায়গা বরাদ্দের জন্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি লবিং করেছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
তার দাবি, রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ঘটনায় বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তর, যুবদল ও ছাত্রদলের কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই ঘটনায় দলীয় হাইকমান্ডের নির্দেশে সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি জাতীয় সংসদে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সাহেব আলী বলেন, অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তি যে দলেরই হোক, তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় আনা উচিত। দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে থেকে ব্যবস্থা নেওয়ার এই নীতিকে তিনি স্বাগত জানান এবং প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেন।



























