ঢাকা ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপ-নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মির্জা ফয়সাল আমিন জয়ী মিঠাপুকুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কাপড় ব্যবসায়ী নিহত ফুলবাড়ীতে মাসিক আইন শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে প্রাণ বঙ্গ মিলার্স লিমিটেড এর কর্মকর্তাদের সৌজন্যে সাক্ষাৎ ফুলবাড়ীর সীমান্তে বিজিবি পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে ৫ লক্ষ ৩৯ হাজার ৮ শত ৯০ টাকার মাদক আটক করেন বাগদান ও বিবাহসংক্রান্ত অভিযোগ এবং কূটনৈতিক মর্যাদার অপব্যবহার চোর সন্দেহে রংপুরে ৩ জনকে পিটিয়ে হত্যা ফুলবাড়ীতে মাইক্রোওয়েভ স্টেশনটি সংস্কার না করায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে গেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৭৭, মামলা ৩৪

অপ্রচলিত বাজারে ৬৪৩ মিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি

নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০২:২৩:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৫৩৩ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে অপ্রচলিত বাজারের গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের আগস্টে এসব বাজারে রেকর্ড ৬৪২ দশমিক ৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। এক মাসে অপ্রচলিত বাজারে এটিই এ খাতের সর্বোচ্চ রপ্তানি।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য বলছে, গত দুই বছর অপ্রচলিত বাজারে পোশাক রপ্তানিতে তেমন অগ্রগতি না থাকলেও চলতি অর্থবছরে পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এসব বাজারে মাসিক গড় রপ্তানি ছিল ৫৭৪ দশমিক ৩৮ মিলিয়ন ডলার। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে সেই গড় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬১১ দশমিক ৬০ মিলিয়ন ডলারে। একই সঙ্গে মোট তৈরি পোশাক রপ্তানিতে অপ্রচলিত বাজারের অংশও বেড়েছে। গত অর্থবছরে মোট পোশাক রপ্তানির ১৫ দশমিক ৯৩ শতাংশ এসেছে এসব বাজার থেকে। চলতি অর্থবছরে তা বেড়ে হয়েছে ১৬ দশমিক ৩২ শতাংশ।

বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মহিউদ্দিন রুবেল মনে করেন, অপ্রচলিত বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি সম্প্রসারণের বড় সুযোগ রয়েছে। প্রচলিত বাজারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নতুন বাজারে কৌশলগতভাবে গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি। ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে অপ্রচলিত বাজারগুলোর মধ্যে বাংলাদেশি পোশাকের সবচেয়ে বড় গন্তব্য ছিল জাপান। দেশটিতে রপ্তানি হয়েছে ১১৮ দশমিক ৬৭ মিলিয়ন ডলারের পোশাক।

এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়ায় ৭৫ দশমিক ১৪ মিলিয়ন, ভারতে ৭২ দশমিক ৭৮ মিলিয়ন, তুরস্কে ৫৯ দশমিক ৫৭ মিলিয়ন এবং কোরিয়া প্রজাতন্ত্রে ৪৫ দশমিক ১৫ মিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। মেক্সিকোতে ৩২ দশমিক ৯৭ মিলিয়ন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২৮ দশমিক ৬২ মিলিয়ন, ব্রাজিলে ২৪ দশমিক ২৪ মিলিয়ন, চীনে ২০ দশমিক ৭০ মিলিয়ন এবং সৌদি আরবে ১৯ দশমিক ২৫ মিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে।

এদিকে আগস্টে বাংলাদেশের মোট তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৩ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। এর মধ্যে অপ্রচলিত বাজারে ৬৪২ দশমিক ৯৩ মিলিয়ন ডলারের রপ্তানি বাজার বহুমুখীকরণের সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করেছে। রপ্তানি গন্তব্যে বৈচিত্র্য আনার এই প্রবণতা প্রচলিত বাজারের ওপর নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি নতুন বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের উপস্থিতি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশের নামাজের সময় সূচি

সেহরির শেষ সময় - ভোর: ৪:৪০
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা: ৫:২৮
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৪৬
  • ১১:৪৬
  • ৩:৪৮
  • ৫:২৮
  • ৬:৪২
  • ৬:০০

অপ্রচলিত বাজারে ৬৪৩ মিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি

আপডেট সময় : ০২:২৩:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে অপ্রচলিত বাজারের গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের আগস্টে এসব বাজারে রেকর্ড ৬৪২ দশমিক ৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। এক মাসে অপ্রচলিত বাজারে এটিই এ খাতের সর্বোচ্চ রপ্তানি।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য বলছে, গত দুই বছর অপ্রচলিত বাজারে পোশাক রপ্তানিতে তেমন অগ্রগতি না থাকলেও চলতি অর্থবছরে পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এসব বাজারে মাসিক গড় রপ্তানি ছিল ৫৭৪ দশমিক ৩৮ মিলিয়ন ডলার। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে সেই গড় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬১১ দশমিক ৬০ মিলিয়ন ডলারে। একই সঙ্গে মোট তৈরি পোশাক রপ্তানিতে অপ্রচলিত বাজারের অংশও বেড়েছে। গত অর্থবছরে মোট পোশাক রপ্তানির ১৫ দশমিক ৯৩ শতাংশ এসেছে এসব বাজার থেকে। চলতি অর্থবছরে তা বেড়ে হয়েছে ১৬ দশমিক ৩২ শতাংশ।

বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মহিউদ্দিন রুবেল মনে করেন, অপ্রচলিত বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি সম্প্রসারণের বড় সুযোগ রয়েছে। প্রচলিত বাজারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নতুন বাজারে কৌশলগতভাবে গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি। ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে অপ্রচলিত বাজারগুলোর মধ্যে বাংলাদেশি পোশাকের সবচেয়ে বড় গন্তব্য ছিল জাপান। দেশটিতে রপ্তানি হয়েছে ১১৮ দশমিক ৬৭ মিলিয়ন ডলারের পোশাক।

এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়ায় ৭৫ দশমিক ১৪ মিলিয়ন, ভারতে ৭২ দশমিক ৭৮ মিলিয়ন, তুরস্কে ৫৯ দশমিক ৫৭ মিলিয়ন এবং কোরিয়া প্রজাতন্ত্রে ৪৫ দশমিক ১৫ মিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। মেক্সিকোতে ৩২ দশমিক ৯৭ মিলিয়ন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২৮ দশমিক ৬২ মিলিয়ন, ব্রাজিলে ২৪ দশমিক ২৪ মিলিয়ন, চীনে ২০ দশমিক ৭০ মিলিয়ন এবং সৌদি আরবে ১৯ দশমিক ২৫ মিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে।

এদিকে আগস্টে বাংলাদেশের মোট তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৩ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। এর মধ্যে অপ্রচলিত বাজারে ৬৪২ দশমিক ৯৩ মিলিয়ন ডলারের রপ্তানি বাজার বহুমুখীকরণের সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করেছে। রপ্তানি গন্তব্যে বৈচিত্র্য আনার এই প্রবণতা প্রচলিত বাজারের ওপর নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি নতুন বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের উপস্থিতি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করছে।