তেলের দাম বাড়ানোর পর সংকট কাটল কীভাবে জানতে চায় কমিটি

- আপডেট সময় : ০৯:২১:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৫৩৩ বার পড়া হয়েছে

ভবিষ্যতে দেশের জ্বালানি চাহিদা মোকাবিলায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন বা বিপিসির প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চেয়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠান-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি। আগামী বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন দিতে বিপিসিকে নির্দেশ দিয়েছে কমিটি। একই সঙ্গে জ্বালানির দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে যুগোপযোগী ও বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে সংসদ সচিবালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে। বৈঠকে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশে জ্বালানি সংকটের কারণ নিয়েও বিপিসির কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।
জানা গেছে, গত এপ্রিল মাসে দেশের বিভিন্ন পেট্রলপাম্পে জ্বালানি তেলের জন্য দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছিল। পরে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে। তবে তেলের সরবরাহে বড় কোনো পরিবর্তন না আসা সত্ত্বেও দাম বাড়ানোর পর কীভাবে সংকট কেটে গেল—এ বিষয়ে বিপিসির কাছে জানতে চায় সংসদীয় কমিটি।
বিপিসির পক্ষ থেকে দেওয়া তাৎক্ষণিক ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট না হয়ে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য ও প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। বৈঠকে বিপিসির পক্ষ থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়টি তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে সংকট মোকাবিলায় কয়েকটি সম্ভাব্য পদক্ষেপের কথাও জানানো হয়।
প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে গেলে সহনীয় মূল্যে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিপিসিকে প্রয়োজনীয় ভর্তুকি দেওয়া। এ ছাড়া সাময়িকভাবে জ্বালানি তেল আমদানিতে ইনভয়েস ভ্যালুর ভিত্তিতে শুল্ক-কর কমানো অথবা আগের মতো ট্যারিফ ভ্যালুর ভিত্তিতে শুল্ক-কর নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
জ্বালানি তেলের দাম স্থিতিশীল রাখতে ‘ফুয়েল স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড’ গঠন এবং ৯০ দিনের জ্বালানি মজুত সক্ষমতা নিশ্চিত করার প্রস্তাবও বৈঠকে উঠে এসেছে। কমিটির সভাপতি ও সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য ও সংশ্লিষ্ট হুইপরা উপস্থিত ছিলেন।



























