ঢাকা ০৪:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মিঠাপুকুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কাপড় ব্যবসায়ী নিহত ফুলবাড়ীতে মাসিক আইন শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে প্রাণ বঙ্গ মিলার্স লিমিটেড এর কর্মকর্তাদের সৌজন্যে সাক্ষাৎ ফুলবাড়ীর সীমান্তে বিজিবি পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে ৫ লক্ষ ৩৯ হাজার ৮ শত ৯০ টাকার মাদক আটক করেন বাগদান ও বিবাহসংক্রান্ত অভিযোগ এবং কূটনৈতিক মর্যাদার অপব্যবহার চোর সন্দেহে রংপুরে ৩ জনকে পিটিয়ে হত্যা ফুলবাড়ীতে মাইক্রোওয়েভ স্টেশনটি সংস্কার না করায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে গেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৭৭, মামলা ৩৪ সারাদেশে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো দুর্গাপূজা উৎসব

মাগুরায় মসজিদকে সরকারি ভাতার আওতায় আনার দাবিতে মানববন্ধন, প্রতিবাদ

সাহেব আলী, মাগুরা স্টাফ রিপোর্টার:
  • আপডেট সময় : ০৯:৫০:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৫৬৭ বার পড়া হয়েছে

মাগুরা সদর উপজেলার জগদল ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামের একটি মসজিদকে সরকারি ভাতার আওতায় আনার বিষয়কে কেন্দ্র করে মানববন্ধন ও প্রতিবাদের ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাধবপুর গ্রামে একাধিক মসজিদ রয়েছে। গ্রামের এক নম্বর ওয়ার্ডের মাধবপুর মোড় এলাকায় তালেবের বাড়ির পাশে একটি নূরানী মাদ্রাসা রয়েছে। মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নামাজ আদায়ের জন্য সেখানে একটি মসজিদও নির্মাণ করা হয়েছে। ২০২৩ সাল থেকে নূরানী মাদ্রাসার মৌলানা ও সুপার শরিফুল ইসলাম মাদ্রাসা ও মসজিদটি পরিচালনা করে আসছেন বলে জানা গেছে।

সরকারের উদ্যোগ অনুযায়ী জগদল ইউনিয়নের ১৩টি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমকে সম্মানীর আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে। এ তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জন্য মাদ্রাসার সুপার শরিফুল ইসলাম আবেদন করেন বলে জানা গেছে।

তবে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ওই মসজিদকে সরকারি ভাতার আওতায় না আনার দাবিতে মানববন্ধন করেন। তাদের দাবি, মসজিদটির সরকারি ভাতা পাওয়ার যোগ্যতা রয়েছে কি না, তা যাচাই করা প্রয়োজন।

অন্যদিকে মাদ্রাসার সুপার শরিফুল ইসলাম দাবি করেছেন, মাদ্রাসায় শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে এবং তাদের নামাজ আদায়ের জন্যই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে। তিনি মসজিদ ও মাদ্রাসার অস্তিত্বের পক্ষে বক্তব্য দিয়েছেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা মানববন্ধনকারীদের অভিযোগ সঠিক নয় বলেও দাবি করেছেন। তাদের মতে, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদ নির্মাণে আপত্তির কোনো কারণ নেই।

স্থানীয়দের কেউ কেউ মনে করছেন, সরকারি ভাতার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি এড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সরেজমিন তদন্ত করা প্রয়োজন। মসজিদটির বাস্তব অবস্থা ও সরকারি ভাতা পাওয়ার যোগ্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে সংযুক্ত করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশের নামাজের সময় সূচি

সেহরির শেষ সময় - ভোর: ৪:৪০
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা: ৫:২৮
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৪৬
  • ১১:৪৬
  • ৩:৪৮
  • ৫:২৮
  • ৬:৪২
  • ৬:০০

মাগুরায় মসজিদকে সরকারি ভাতার আওতায় আনার দাবিতে মানববন্ধন, প্রতিবাদ

আপডেট সময় : ০৯:৫০:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

মাগুরা সদর উপজেলার জগদল ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামের একটি মসজিদকে সরকারি ভাতার আওতায় আনার বিষয়কে কেন্দ্র করে মানববন্ধন ও প্রতিবাদের ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাধবপুর গ্রামে একাধিক মসজিদ রয়েছে। গ্রামের এক নম্বর ওয়ার্ডের মাধবপুর মোড় এলাকায় তালেবের বাড়ির পাশে একটি নূরানী মাদ্রাসা রয়েছে। মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নামাজ আদায়ের জন্য সেখানে একটি মসজিদও নির্মাণ করা হয়েছে। ২০২৩ সাল থেকে নূরানী মাদ্রাসার মৌলানা ও সুপার শরিফুল ইসলাম মাদ্রাসা ও মসজিদটি পরিচালনা করে আসছেন বলে জানা গেছে।

সরকারের উদ্যোগ অনুযায়ী জগদল ইউনিয়নের ১৩টি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমকে সম্মানীর আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে। এ তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জন্য মাদ্রাসার সুপার শরিফুল ইসলাম আবেদন করেন বলে জানা গেছে।

তবে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ওই মসজিদকে সরকারি ভাতার আওতায় না আনার দাবিতে মানববন্ধন করেন। তাদের দাবি, মসজিদটির সরকারি ভাতা পাওয়ার যোগ্যতা রয়েছে কি না, তা যাচাই করা প্রয়োজন।

অন্যদিকে মাদ্রাসার সুপার শরিফুল ইসলাম দাবি করেছেন, মাদ্রাসায় শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে এবং তাদের নামাজ আদায়ের জন্যই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে। তিনি মসজিদ ও মাদ্রাসার অস্তিত্বের পক্ষে বক্তব্য দিয়েছেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা মানববন্ধনকারীদের অভিযোগ সঠিক নয় বলেও দাবি করেছেন। তাদের মতে, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদ নির্মাণে আপত্তির কোনো কারণ নেই।

স্থানীয়দের কেউ কেউ মনে করছেন, সরকারি ভাতার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি এড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সরেজমিন তদন্ত করা প্রয়োজন। মসজিদটির বাস্তব অবস্থা ও সরকারি ভাতা পাওয়ার যোগ্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে সংযুক্ত করা হবে।