হেফাজতের কাছ থেকে ইসলামী মূল্যবোধের প্রচার শেখা উচিত জামায়াতের

- আপডেট সময় : ১২:১০:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
- / ৫২৬ বার পড়া হয়েছে

ইসলামী মূল্যবোধের প্রচার ও প্রসার কীভাবে করতে হয় তা হেফাজতে ইসলামের কাছ থেকে জামায়াতে ইসলামীকে শেখা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তিনি বলেন, ইসলামের প্রচার ও প্রসারে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
শুক্রবার ২ অক্টোবর দুপুরে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলূম বাবুনগর মাদরাসায় হেফাজতে ইসলামের আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
জামায়াতে ইসলামীকে উদ্দেশ করে রাশেদ খান বলেন, যারা ইসলামের কথা বলেন, বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামী—তাদের ইসলামী মূল্যবোধের প্রচার কীভাবে করতে হয় তা হেফাজতে ইসলামের কাছ থেকে শেখার পরামর্শ দেবেন তিনি।
নির্বাচনের আগে ‘জান্নাতের টিকিট’ বিতরণের নামে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছিল বলেও মন্তব্য করেন রাশেদ খান। তার দাবি, এ বিষয়ে হেফাজতে ইসলামের আমির মানুষকে সচেতন করেছেন। ইসলামের প্রচার ও প্রসারে হেফাজতে ইসলাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
রাশেদ খান আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী ইসলাম ও ইসলামী মূল্যবোধ থেকে অনেক দূরে সরে গেছে। এটি দলটির কাছ থেকে দেশের মানুষ প্রত্যাশা করে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জামায়াতের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তিনি বলেন, একদিকে ইসলামের কথা বলা হচ্ছে, অন্যদিকে দলটির রাজনৈতিক বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ইসলামী মূল্যবোধের অসামঞ্জস্য রয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
হেফাজতে ইসলামের আমিরের সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে রাশেদ খান জানান, বর্তমান সরকারকে সবার সহযোগিতা করা উচিত বলে মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী তাকে জানিয়েছেন। একই সঙ্গে সরকারের সাত মাসের মাথায় লং মার্চের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন হেফাজতে ইসলামের আমির।
রাশেদ খান বলেন, যারা একসঙ্গে আন্দোলন-সংগ্রাম করে ফ্যাসিবাদকে হটিয়েছিল, রাষ্ট্র পুনর্গঠনে তাদের সবার দায়িত্ব একতাবদ্ধ থেকে ভূমিকা রাখা। সরকারের কার্যক্রমে সহযোগিতা ও রাষ্ট্র পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সমন্বয়ের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।



























