ঢাকা ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফুলবাড়ীতে মাসিক আইন শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে প্রাণ বঙ্গ মিলার্স লিমিটেড এর কর্মকর্তাদের সৌজন্যে সাক্ষাৎ ফুলবাড়ীর সীমান্তে বিজিবি পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে ৫ লক্ষ ৩৯ হাজার ৮ শত ৯০ টাকার মাদক আটক করেন বাগদান ও বিবাহসংক্রান্ত অভিযোগ এবং কূটনৈতিক মর্যাদার অপব্যবহার চোর সন্দেহে রংপুরে ৩ জনকে পিটিয়ে হত্যা ফুলবাড়ীতে মাইক্রোওয়েভ স্টেশনটি সংস্কার না করায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে গেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৭৭, মামলা ৩৪ সারাদেশে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো দুর্গাপূজা উৎসব আটোয়ারীতে নসিমনের (ভটভটি) ধাক্কায় সাইকেল আরোহীর মৃত্যু

প্রতিটি নাগরিকের জন্য ডিজিটাল আইডি ও ওয়ালেট চালুর পরিকল্পনা

নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১১:৩৫:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৫২৬ বার পড়া হয়েছে

দেশের প্রতিটি নাগরিককে একটি ডিজিটাল আইডি ও ডিজিটাল ওয়ালেটের আওতায় আনার পরিকল্পনা করছে সরকার। সরলতা, গোপনীয়তা, নিরাপত্তা, অন্তর্ভুক্তি ও আন্তঃসংযোগ—এই পাঁচ নীতিকে ভিত্তি করে গড়ে তোলা হবে পুরো ডিজিটাল ব্যবস্থা। সরকারের লক্ষ্য হলো প্রযুক্তির মাধ্যমে নাগরিক সেবা আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ করা।

রোববার ৪ অক্টোবর বিকেলে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনের দ্বিতীয় দিনে আয়োজিত ‘দ্য গ্র্যান্ড কনভারসেশন: মডেল যখন সিদ্ধান্ত নেয় তখন কে সিদ্ধান্ত নেয়? রাষ্ট্রের যন্ত্রকৌশলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’ শীর্ষক সংলাপে এসব কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ বা সিজিএস তিন দিনব্যাপী এ আন্তর্জাতিক সংলাপের আয়োজন করে।

রেহান আসিফ আসাদ বলেন, সরকারের লক্ষ্য দেশের প্রত্যেক নাগরিককে ডিজিটাল আইডি ও ডিজিটাল ওয়ালেটের আওতায় আনা। এর মাধ্যমে নাগরিকদের বিশ্বস্ত সেবা দেওয়ার পাশাপাশি কেউ যাতে ডিজিটাল ব্যবস্থার বাইরে বা পিছিয়ে না থাকে সেটিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, পুরো ব্যবস্থার স্থাপত্য, পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের কেন্দ্রে থাকবে পাঁচটি নীতি। এগুলো হলো সরলতা, গোপনীয়তা, নিরাপত্তা, অন্তর্ভুক্তি ও আন্তঃসংযোগ। সরকার শুধু নতুন একটি প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা তৈরি করতে চায় না। বরং এমন একটি ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে চায় যার মাধ্যমে মানুষের জীবন সহজ হবে এবং সরকারি সেবা দ্রুত ও নিরাপদে পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

আন্তঃসংযোগের সুবিধা তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, ভবিষ্যতে একজন নাগরিককে একটি সেবা পেতে আলাদা আলাদা মন্ত্রণালয় বা দপ্তরে গিয়ে ঘুরতে হবে না। শিক্ষা সনদের মতো বিভিন্ন সেবার প্রয়োজনীয় তথ্য আন্তঃসংযুক্ত ব্যবস্থার মাধ্যমে সহজেই পাওয়া যাবে।

তিনি আরও জানান, পুরো ডিজিটাল ইকোসিস্টেমে মানুষের আস্থা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে দেশজুড়ে ব্যবস্থা চালুর আগে সীমিত পরিসরে ‘মিনিমাম ভায়াবল প্রোডাক্ট’ বা এমভিপি চালু করা হবে। এই পরীক্ষামূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে শুরুতেই সম্ভাব্য ভুল ও ত্রুটি শনাক্ত করে তা সংশোধনের সুযোগ থাকবে।

জাতীয় ডিজিটাল কৌশলের কেন্দ্রে ডিজিটাল আইডি থাকবে বলেও জানান রেহান আসিফ আসাদ। ডেটা এক্সচেঞ্জ ও ক্লাউড অবকাঠামোর পাশাপাশি ডিজিটাল আইডিকে দেশের অন্যতম ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এর ওপর ভিত্তি করে সরকারি ও বেসরকারি খাতে বিভিন্ন ধরনের সেবা তৈরি ও সম্প্রসারণ করা হবে।

সংলাপে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে আরও আলোচনা করেন দেশি-বিদেশি বক্তারা। এতে দ্য এশিয়া ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক নিকোলা নিক্সন, বাংলাদেশে ইউনেস্কোর প্রতিনিধি সুসান ভাইজ, শ্রীলঙ্কার ডিজিটাল অর্থনীতি মন্ত্রণালয়ের সচিব ওয়ারুনা শ্রী ধনাপালা এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বক্তব্য দেন। সংলাপ সঞ্চালনা করেন দ্য এশিয়া ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ কাজী ফয়সল বিন সেরাজ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশের নামাজের সময় সূচি

সেহরির শেষ সময় - ভোর: ৪:৪০
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা: ৫:২৮
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৪৬
  • ১১:৪৬
  • ৩:৪৮
  • ৫:২৮
  • ৬:৪২
  • ৬:০০

প্রতিটি নাগরিকের জন্য ডিজিটাল আইডি ও ওয়ালেট চালুর পরিকল্পনা

আপডেট সময় : ১১:৩৫:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

দেশের প্রতিটি নাগরিককে একটি ডিজিটাল আইডি ও ডিজিটাল ওয়ালেটের আওতায় আনার পরিকল্পনা করছে সরকার। সরলতা, গোপনীয়তা, নিরাপত্তা, অন্তর্ভুক্তি ও আন্তঃসংযোগ—এই পাঁচ নীতিকে ভিত্তি করে গড়ে তোলা হবে পুরো ডিজিটাল ব্যবস্থা। সরকারের লক্ষ্য হলো প্রযুক্তির মাধ্যমে নাগরিক সেবা আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ করা।

রোববার ৪ অক্টোবর বিকেলে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনের দ্বিতীয় দিনে আয়োজিত ‘দ্য গ্র্যান্ড কনভারসেশন: মডেল যখন সিদ্ধান্ত নেয় তখন কে সিদ্ধান্ত নেয়? রাষ্ট্রের যন্ত্রকৌশলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’ শীর্ষক সংলাপে এসব কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ বা সিজিএস তিন দিনব্যাপী এ আন্তর্জাতিক সংলাপের আয়োজন করে।

রেহান আসিফ আসাদ বলেন, সরকারের লক্ষ্য দেশের প্রত্যেক নাগরিককে ডিজিটাল আইডি ও ডিজিটাল ওয়ালেটের আওতায় আনা। এর মাধ্যমে নাগরিকদের বিশ্বস্ত সেবা দেওয়ার পাশাপাশি কেউ যাতে ডিজিটাল ব্যবস্থার বাইরে বা পিছিয়ে না থাকে সেটিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, পুরো ব্যবস্থার স্থাপত্য, পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের কেন্দ্রে থাকবে পাঁচটি নীতি। এগুলো হলো সরলতা, গোপনীয়তা, নিরাপত্তা, অন্তর্ভুক্তি ও আন্তঃসংযোগ। সরকার শুধু নতুন একটি প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা তৈরি করতে চায় না। বরং এমন একটি ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে চায় যার মাধ্যমে মানুষের জীবন সহজ হবে এবং সরকারি সেবা দ্রুত ও নিরাপদে পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

আন্তঃসংযোগের সুবিধা তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, ভবিষ্যতে একজন নাগরিককে একটি সেবা পেতে আলাদা আলাদা মন্ত্রণালয় বা দপ্তরে গিয়ে ঘুরতে হবে না। শিক্ষা সনদের মতো বিভিন্ন সেবার প্রয়োজনীয় তথ্য আন্তঃসংযুক্ত ব্যবস্থার মাধ্যমে সহজেই পাওয়া যাবে।

তিনি আরও জানান, পুরো ডিজিটাল ইকোসিস্টেমে মানুষের আস্থা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে দেশজুড়ে ব্যবস্থা চালুর আগে সীমিত পরিসরে ‘মিনিমাম ভায়াবল প্রোডাক্ট’ বা এমভিপি চালু করা হবে। এই পরীক্ষামূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে শুরুতেই সম্ভাব্য ভুল ও ত্রুটি শনাক্ত করে তা সংশোধনের সুযোগ থাকবে।

জাতীয় ডিজিটাল কৌশলের কেন্দ্রে ডিজিটাল আইডি থাকবে বলেও জানান রেহান আসিফ আসাদ। ডেটা এক্সচেঞ্জ ও ক্লাউড অবকাঠামোর পাশাপাশি ডিজিটাল আইডিকে দেশের অন্যতম ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এর ওপর ভিত্তি করে সরকারি ও বেসরকারি খাতে বিভিন্ন ধরনের সেবা তৈরি ও সম্প্রসারণ করা হবে।

সংলাপে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে আরও আলোচনা করেন দেশি-বিদেশি বক্তারা। এতে দ্য এশিয়া ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক নিকোলা নিক্সন, বাংলাদেশে ইউনেস্কোর প্রতিনিধি সুসান ভাইজ, শ্রীলঙ্কার ডিজিটাল অর্থনীতি মন্ত্রণালয়ের সচিব ওয়ারুনা শ্রী ধনাপালা এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বক্তব্য দেন। সংলাপ সঞ্চালনা করেন দ্য এশিয়া ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ কাজী ফয়সল বিন সেরাজ।