মাগুরায় মাদরাসা সুপারের বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ

- আপডেট সময় : ১০:২০:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৫৩৩ বার পড়া হয়েছে

মাগুরার শালিখা উপজেলার দক্ষিণ শরুশুনা দাখিল মাদরাসার সুপার আলী হাসানের বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জালিয়াতি ও প্রায় বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মাদরাসা সুপারসহ চারজনকে আসামি করে আদালতে মামলা করেছেন চারজন বাদী। মামলার নথি ও বাদীপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী, শালিখা ইউনিয়নের দক্ষিণ শরুশুনা দাখিল মাদরাসাটি ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং পরবর্তীতে এমপিওভুক্ত হয়।
বাদীপক্ষের দাবি, প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই তারা বিভিন্ন পদে শিক্ষক-কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, মাদরাসার সুপার আলী হাসান বিভিন্ন কৌশলে শিক্ষক-কর্মচারীদের বিষয়ে নথিপত্র তৈরি ও প্রেরণের ক্ষেত্রে অনিয়ম করেছেন। একই সঙ্গে মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে বিভিন্ন কাগজপত্র তৈরি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন বাদীরা।
মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়েছে, মাদরাসায় নিয়োগের নামে প্রায় ৭০ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি হাশেম আলী অভিযোগের বিষয়ে বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদরাসার এডহক কমিটিতে রয়েছেন। তার দাবি, মাদরাসা সুপার বেতন শিটে স্বাক্ষরের জন্য তার কাছে গেলে তিনি স্বাক্ষর করেননি। এ নিয়ে সুপারের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডাও হয়।
হাশেম আলী আরও জানান, সুপার তার কাছ থেকে কয়েকটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়েছিলেন। পরে বেতন শিটে তার স্বাক্ষর নিয়ে সন্দেহ তৈরি হলে ২০২২ সালের ১০ অক্টোবর বিষয়টি লিখিতভাবে আদালতকে জানান। অভিযোগের বিষয়ে মাদরাসা সুপার আলী হাসানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের সাক্ষাৎ দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন এবং এ বিষয়ে যা খুশি করার কথা জানান।
এ বিষয়ে শালিখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসমিন মনিরা জানান, দক্ষিণ শরুশুনা দাখিল মাদরাসার বিষয়ে তার কাছে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে জালিয়াতি বা অন্যায় প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। মামলাটি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণ হবে আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায়




























