বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে র্যাগিংয়ে ৪৮ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তি

- আপডেট সময় : ১১:৪৭:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৫২৭ বার পড়া হয়েছে

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে র্যাগিংয়ে জড়িত থাকার অভিযোগে চার বিভাগের ৪৮ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন মেয়াদে একাডেমিক বহিষ্কার ও আর্থিক জরিমানার শাস্তি দেওয়া হয়েছে। একই ঘটনায় আরও ছয় শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ বা শোকজ করা হয়েছে। বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মেহেদি হাসান সোহাগ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বোর্ডের ২০ সেপ্টেম্বরের সভায় অপরাধের মাত্রা বিবেচনা করে এসব শাস্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আইন রাষ্ট্রবিজ্ঞান মার্কেটিং এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বা সিএসই বিভাগের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় কমিটি ও তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায় ১৫ জুলাইয়ের ঘটনায় আইন বিভাগের পাঁচ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনকে ছয় মাসের একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ১৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং চারজনকে এক বছরের একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
২২ জুলাইয়ের ঘটনায় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ১০ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তাদের কয়েকজনকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া একজনকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা অথবা ছয় মাসের একাডেমিক বহিষ্কার এবং আরেকজনকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা এক বছরের একাডেমিক বহিষ্কারের শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
১৯ আগস্টের ঘটনায় মার্কেটিং বিভাগের ১৯ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে ছয় মাসের একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ১৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। একজনকে এক বছরের বহিষ্কার অথবা ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং আরও কয়েকজনকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
এদিকে ৯ আগস্টের ঘটনায় সিএসই বিভাগের ১৪ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। দুই শিক্ষার্থীকে এক বছরের একাডেমিক বহিষ্কার অথবা ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং চারজনকে ছয় মাসের বহিষ্কার অথবা ১৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
শৃঙ্খলা বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জরিমানার অর্থ পত্র ইস্যুর তারিখ থেকে এক মাসের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ে জরিমানা পরিশোধ না করলে দ্বিগুণ হারে জরিমানা প্রযোজ্য হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মেহেদি হাসান সোহাগ জানিয়েছেন বিভাগীয় ও তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন এবং সুপারিশ পর্যালোচনা করে অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী শাস্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।



























