ঢাকা ১২:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফুলবাড়ীতে মাসিক আইন শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে প্রাণ বঙ্গ মিলার্স লিমিটেড এর কর্মকর্তাদের সৌজন্যে সাক্ষাৎ ফুলবাড়ীর সীমান্তে বিজিবি পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে ৫ লক্ষ ৩৯ হাজার ৮ শত ৯০ টাকার মাদক আটক করেন বাগদান ও বিবাহসংক্রান্ত অভিযোগ এবং কূটনৈতিক মর্যাদার অপব্যবহার চোর সন্দেহে রংপুরে ৩ জনকে পিটিয়ে হত্যা ফুলবাড়ীতে মাইক্রোওয়েভ স্টেশনটি সংস্কার না করায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে গেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৭৭, মামলা ৩৪ সারাদেশে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো দুর্গাপূজা উৎসব আটোয়ারীতে নসিমনের (ভটভটি) ধাক্কায় সাইকেল আরোহীর মৃত্যু

প্রাথমিক শিক্ষক পদে সুপারিশ পেয়েও নিয়োগ নেই ৪১ জনের

নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৫:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৫৩০ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধায় প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়া ৪১ প্রার্থী নিয়োগের দাবিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন। রোববার দুপুরে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপিটি হস্তান্তর করেন ভুক্তভোগী প্রার্থীরা। স্মারকলিপি গ্রহণ করে জেলা প্রশাসক ড. মনিরুজ্জামান বলেন সরকারি শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। প্রার্থীদের দেওয়া স্মারকলিপি সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

স্মারকলিপিতে প্রার্থীরা জানান ২০২৫ সালে গাইবান্ধা জেলায় প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ফলাফলে মোট ৪৫৬ জন প্রার্থী সুপারিশপ্রাপ্ত হন। তবে ফলাফল প্রকাশের পর জেলার ৪১ জন সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী এখনো নিয়োগপত্র পাননি। নিয়োগপত্র না পাওয়ায় এসব প্রার্থীর মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়। প্রার্থীদের দাবি প্রশাসনিক বা যাচাই-সংক্রান্ত কোনো কারণে তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হয়ে থাকলে সেটি স্পষ্টভাবে জানানো প্রয়োজন।

তারা জানতে চান ৪১ জনের প্রত্যেকের ক্ষেত্রে ঠিক কী কারণে নিয়োগ আটকে আছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত কী এবং তাদের পরবর্তী করণীয় কী হবে সেটিও স্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছেন তারা। প্রার্থীরা বলেন সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও নিয়োগপত্র না পাওয়ায় তারা দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। তাই দ্রুত বিষয়টি যাচাই করে তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

জেলা প্রশাসক প্রার্থীদের আশ্বস্ত করে বলেন তাদের স্মারকলিপি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। সরকারি শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান থাকায় বিষয়টি সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে বিবেচনা করা হবে বলে জানান তিনি। এদিকে নিয়োগপত্র না পাওয়া ৪১ প্রার্থীর বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন। রোববার দুপুরে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপিটি হস্তান্তর করেন ভুক্তভোগী প্রার্থীরা। স্মারকলিপি গ্রহণ করে জেলা প্রশাসক ড. মনিরুজ্জামান বলেন সরকারি শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। প্রার্থীদের দেওয়া স্মারকলিপি সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

স্মারকলিপিতে প্রার্থীরা জানান ২০২৫ সালে গাইবান্ধা জেলায় প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ফলাফলে মোট ৪৫৬ জন প্রার্থী সুপারিশপ্রাপ্ত হন। তবে ফলাফল প্রকাশের পর জেলার ৪১ জন সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী এখনো নিয়োগপত্র পাননি। নিয়োগপত্র না পাওয়ায় এসব প্রার্থীর মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়। প্রার্থীদের দাবি প্রশাসনিক বা যাচাই-সংক্রান্ত কোনো কারণে তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হয়ে থাকলে সেটি স্পষ্টভাবে জানানো প্রয়োজন।

তারা জানতে চান ৪১ জনের প্রত্যেকের ক্ষেত্রে ঠিক কী কারণে নিয়োগ আটকে আছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত কী এবং তাদের পরবর্তী করণীয় কী হবে সেটিও স্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছেন তারা। প্রার্থীরা বলেন সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও নিয়োগপত্র না পাওয়ায় তারা দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। তাই দ্রুত বিষয়টি যাচাই করে তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

জেলা প্রশাসক প্রার্থীদের আশ্বস্ত করে বলেন তাদের স্মারকলিপি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। সরকারি শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান থাকায় বিষয়টি সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে বিবেচনা করা হবে বলে জানান তিনি। এদিকে নিয়োগপত্র না পাওয়া ৪১ প্রার্থীর বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশের নামাজের সময় সূচি

সেহরির শেষ সময় - ভোর: ৪:৪০
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা: ৫:২৮
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৪৬
  • ১১:৪৬
  • ৩:৪৮
  • ৫:২৮
  • ৬:৪২
  • ৬:০০

প্রাথমিক শিক্ষক পদে সুপারিশ পেয়েও নিয়োগ নেই ৪১ জনের

আপডেট সময় : ০৯:৪৫:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গাইবান্ধায় প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়া ৪১ প্রার্থী নিয়োগের দাবিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন। রোববার দুপুরে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপিটি হস্তান্তর করেন ভুক্তভোগী প্রার্থীরা। স্মারকলিপি গ্রহণ করে জেলা প্রশাসক ড. মনিরুজ্জামান বলেন সরকারি শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। প্রার্থীদের দেওয়া স্মারকলিপি সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

স্মারকলিপিতে প্রার্থীরা জানান ২০২৫ সালে গাইবান্ধা জেলায় প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ফলাফলে মোট ৪৫৬ জন প্রার্থী সুপারিশপ্রাপ্ত হন। তবে ফলাফল প্রকাশের পর জেলার ৪১ জন সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী এখনো নিয়োগপত্র পাননি। নিয়োগপত্র না পাওয়ায় এসব প্রার্থীর মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়। প্রার্থীদের দাবি প্রশাসনিক বা যাচাই-সংক্রান্ত কোনো কারণে তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হয়ে থাকলে সেটি স্পষ্টভাবে জানানো প্রয়োজন।

তারা জানতে চান ৪১ জনের প্রত্যেকের ক্ষেত্রে ঠিক কী কারণে নিয়োগ আটকে আছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত কী এবং তাদের পরবর্তী করণীয় কী হবে সেটিও স্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছেন তারা। প্রার্থীরা বলেন সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও নিয়োগপত্র না পাওয়ায় তারা দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। তাই দ্রুত বিষয়টি যাচাই করে তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

জেলা প্রশাসক প্রার্থীদের আশ্বস্ত করে বলেন তাদের স্মারকলিপি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। সরকারি শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান থাকায় বিষয়টি সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে বিবেচনা করা হবে বলে জানান তিনি। এদিকে নিয়োগপত্র না পাওয়া ৪১ প্রার্থীর বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন। রোববার দুপুরে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপিটি হস্তান্তর করেন ভুক্তভোগী প্রার্থীরা। স্মারকলিপি গ্রহণ করে জেলা প্রশাসক ড. মনিরুজ্জামান বলেন সরকারি শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। প্রার্থীদের দেওয়া স্মারকলিপি সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

স্মারকলিপিতে প্রার্থীরা জানান ২০২৫ সালে গাইবান্ধা জেলায় প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ফলাফলে মোট ৪৫৬ জন প্রার্থী সুপারিশপ্রাপ্ত হন। তবে ফলাফল প্রকাশের পর জেলার ৪১ জন সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী এখনো নিয়োগপত্র পাননি। নিয়োগপত্র না পাওয়ায় এসব প্রার্থীর মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়। প্রার্থীদের দাবি প্রশাসনিক বা যাচাই-সংক্রান্ত কোনো কারণে তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হয়ে থাকলে সেটি স্পষ্টভাবে জানানো প্রয়োজন।

তারা জানতে চান ৪১ জনের প্রত্যেকের ক্ষেত্রে ঠিক কী কারণে নিয়োগ আটকে আছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত কী এবং তাদের পরবর্তী করণীয় কী হবে সেটিও স্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছেন তারা। প্রার্থীরা বলেন সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও নিয়োগপত্র না পাওয়ায় তারা দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। তাই দ্রুত বিষয়টি যাচাই করে তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

জেলা প্রশাসক প্রার্থীদের আশ্বস্ত করে বলেন তাদের স্মারকলিপি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। সরকারি শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান থাকায় বিষয়টি সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে বিবেচনা করা হবে বলে জানান তিনি। এদিকে নিয়োগপত্র না পাওয়া ৪১ প্রার্থীর বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন ভুক্তভোগীরা।