ঢাকা ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফুলবাড়ীতে মাসিক আইন শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে প্রাণ বঙ্গ মিলার্স লিমিটেড এর কর্মকর্তাদের সৌজন্যে সাক্ষাৎ ফুলবাড়ীর সীমান্তে বিজিবি পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে ৫ লক্ষ ৩৯ হাজার ৮ শত ৯০ টাকার মাদক আটক করেন বাগদান ও বিবাহসংক্রান্ত অভিযোগ এবং কূটনৈতিক মর্যাদার অপব্যবহার চোর সন্দেহে রংপুরে ৩ জনকে পিটিয়ে হত্যা ফুলবাড়ীতে মাইক্রোওয়েভ স্টেশনটি সংস্কার না করায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে গেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৭৭, মামলা ৩৪ সারাদেশে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো দুর্গাপূজা উৎসব আটোয়ারীতে নসিমনের (ভটভটি) ধাক্কায় সাইকেল আরোহীর মৃত্যু

রাউটার ধীরগতির হলে এই ৫ পরিবর্তনেই মিলবে সমাধান

প্রযুক্তি ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৩:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৫৩৪ বার পড়া হয়েছে

বর্তমানে টেলিভিশন, ল্যাপটপ, স্মার্টফোন থেকে শুরু করে স্মার্ট স্পিকার—প্রায় সব ডিভাইসেই বাড়ির ওয়াই-ফাইয়ের প্রয়োজন হয়। একই নেটওয়ার্কে একসঙ্গে অনেক ডিভাইস যুক্ত থাকলে স্বাভাবিকভাবেই ইন্টারনেটের গতি কমে যেতে পারে। এতে অ্যাপ ডাউনলোড, ভিডিও স্ট্রিমিং কিংবা ভিডিও কলের সময় সমস্যায় পড়তে হয়। তবে ওয়াই-ফাই ধীর হলেই টেকনিশিয়ানের সাহায্য নিতে হবে এমন নয়। কয়েকটি সহজ পরিবর্তন করেই অনেক ক্ষেত্রে নেটওয়ার্কের পারফরম্যান্স উন্নত করা সম্ভব।

প্রথমেই রাউটারের অবস্থানের দিকে নজর দিতে হবে। বাড়ির তুলনামূলক মাঝামাঝি এবং খোলা জায়গায় রাউটার রাখলে বিভিন্ন দিকে সিগন্যাল ভালোভাবে পৌঁছাতে পারে। দেয়াল, বড় আসবাব কিংবা অন্য কোনো বাধার আড়ালে রাউটার রাখা ঠিক নয়। মাইক্রোওয়েভের মতো বৈদ্যুতিক যন্ত্রের খুব কাছেও রাউটার না রাখাই ভালো।

দ্বিতীয়ত প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক ওয়াই-ফাই ব্যান্ড ব্যবহার করতে হবে। অনেক রাউটারেই ২ দশমিক ৪ গিগাহার্টজ ও ৫ গিগাহার্টজ—দুই ধরনের ব্যান্ড থাকে। কাছাকাছি থাকা ডিভাইসে সাধারণত ৫ গিগাহার্টজ ব্যান্ড বেশি গতি দিতে পারে। ভিডিও কল, অনলাইন গেমিং বা বেশি ডেটা ব্যবহারের ক্ষেত্রে এটি কাজে আসতে পারে। অন্যদিকে ২ দশমিক ৪ গিগাহার্টজ ব্যান্ড তুলনামূলক বেশি দূরত্বে সিগন্যাল পৌঁছাতে পারে এবং দেয়াল পেরোনোর ক্ষেত্রেও সুবিধা দেয়।

তৃতীয়ত সংযোগে সমস্যা দেখা দিলে রাউটার রিবুট করে দেখা যেতে পারে। রাউটার বন্ধ করে কিছুক্ষণ পর আবার চালু করলে সাময়িক কিছু সংযোগ সমস্যা দূর হতে পারে। তবে নিয়ম করে কয়েক দিন পরপর রাউটার বন্ধ করার প্রয়োজন নেই।

চতুর্থত অপ্রয়োজনীয় ডিভাইস ওয়াই-ফাই থেকে বিচ্ছিন্ন করা যেতে পারে। পুরোনো ফোন, ট্যাব, স্মার্ট টিভি কিংবা অন্যান্য ডিভাইস প্রয়োজন না থাকলেও নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকতে পারে। রাউটারের অ্যাপ বা সেটিংস থেকে সংযুক্ত ডিভাইসের তালিকা দেখে অপ্রয়োজনীয় ডিভাইস সরিয়ে দিলে নেটওয়ার্কের ওপর চাপ কমতে পারে।

সবশেষে পুরোনো রাউটার হলে সেটি আপগ্রেড করার কথা বিবেচনা করা যেতে পারে। দীর্ঘদিনের পুরোনো রাউটার নতুন প্রজন্মের ডিভাইস ও উচ্চগতির ইন্টারনেটের সঙ্গে তাল মেলাতে নাও পারে। তবে এসব পরিবর্তনের পরও সমস্যা থাকলে কারণটি শুধু রাউটারে নাও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করে সংযোগ, লাইনের সমস্যা কিংবা সিগন্যাল কভারেজ পরীক্ষা করানো যেতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশের নামাজের সময় সূচি

সেহরির শেষ সময় - ভোর: ৪:৪০
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা: ৫:২৮
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৪৬
  • ১১:৪৬
  • ৩:৪৮
  • ৫:২৮
  • ৬:৪২
  • ৬:০০

রাউটার ধীরগতির হলে এই ৫ পরিবর্তনেই মিলবে সমাধান

আপডেট সময় : ০৭:৩৩:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বর্তমানে টেলিভিশন, ল্যাপটপ, স্মার্টফোন থেকে শুরু করে স্মার্ট স্পিকার—প্রায় সব ডিভাইসেই বাড়ির ওয়াই-ফাইয়ের প্রয়োজন হয়। একই নেটওয়ার্কে একসঙ্গে অনেক ডিভাইস যুক্ত থাকলে স্বাভাবিকভাবেই ইন্টারনেটের গতি কমে যেতে পারে। এতে অ্যাপ ডাউনলোড, ভিডিও স্ট্রিমিং কিংবা ভিডিও কলের সময় সমস্যায় পড়তে হয়। তবে ওয়াই-ফাই ধীর হলেই টেকনিশিয়ানের সাহায্য নিতে হবে এমন নয়। কয়েকটি সহজ পরিবর্তন করেই অনেক ক্ষেত্রে নেটওয়ার্কের পারফরম্যান্স উন্নত করা সম্ভব।

প্রথমেই রাউটারের অবস্থানের দিকে নজর দিতে হবে। বাড়ির তুলনামূলক মাঝামাঝি এবং খোলা জায়গায় রাউটার রাখলে বিভিন্ন দিকে সিগন্যাল ভালোভাবে পৌঁছাতে পারে। দেয়াল, বড় আসবাব কিংবা অন্য কোনো বাধার আড়ালে রাউটার রাখা ঠিক নয়। মাইক্রোওয়েভের মতো বৈদ্যুতিক যন্ত্রের খুব কাছেও রাউটার না রাখাই ভালো।

দ্বিতীয়ত প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক ওয়াই-ফাই ব্যান্ড ব্যবহার করতে হবে। অনেক রাউটারেই ২ দশমিক ৪ গিগাহার্টজ ও ৫ গিগাহার্টজ—দুই ধরনের ব্যান্ড থাকে। কাছাকাছি থাকা ডিভাইসে সাধারণত ৫ গিগাহার্টজ ব্যান্ড বেশি গতি দিতে পারে। ভিডিও কল, অনলাইন গেমিং বা বেশি ডেটা ব্যবহারের ক্ষেত্রে এটি কাজে আসতে পারে। অন্যদিকে ২ দশমিক ৪ গিগাহার্টজ ব্যান্ড তুলনামূলক বেশি দূরত্বে সিগন্যাল পৌঁছাতে পারে এবং দেয়াল পেরোনোর ক্ষেত্রেও সুবিধা দেয়।

তৃতীয়ত সংযোগে সমস্যা দেখা দিলে রাউটার রিবুট করে দেখা যেতে পারে। রাউটার বন্ধ করে কিছুক্ষণ পর আবার চালু করলে সাময়িক কিছু সংযোগ সমস্যা দূর হতে পারে। তবে নিয়ম করে কয়েক দিন পরপর রাউটার বন্ধ করার প্রয়োজন নেই।

চতুর্থত অপ্রয়োজনীয় ডিভাইস ওয়াই-ফাই থেকে বিচ্ছিন্ন করা যেতে পারে। পুরোনো ফোন, ট্যাব, স্মার্ট টিভি কিংবা অন্যান্য ডিভাইস প্রয়োজন না থাকলেও নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকতে পারে। রাউটারের অ্যাপ বা সেটিংস থেকে সংযুক্ত ডিভাইসের তালিকা দেখে অপ্রয়োজনীয় ডিভাইস সরিয়ে দিলে নেটওয়ার্কের ওপর চাপ কমতে পারে।

সবশেষে পুরোনো রাউটার হলে সেটি আপগ্রেড করার কথা বিবেচনা করা যেতে পারে। দীর্ঘদিনের পুরোনো রাউটার নতুন প্রজন্মের ডিভাইস ও উচ্চগতির ইন্টারনেটের সঙ্গে তাল মেলাতে নাও পারে। তবে এসব পরিবর্তনের পরও সমস্যা থাকলে কারণটি শুধু রাউটারে নাও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করে সংযোগ, লাইনের সমস্যা কিংবা সিগন্যাল কভারেজ পরীক্ষা করানো যেতে পারে।