ঢাকা ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফুলবাড়ীতে মাসিক আইন শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে প্রাণ বঙ্গ মিলার্স লিমিটেড এর কর্মকর্তাদের সৌজন্যে সাক্ষাৎ ফুলবাড়ীর সীমান্তে বিজিবি পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে ৫ লক্ষ ৩৯ হাজার ৮ শত ৯০ টাকার মাদক আটক করেন বাগদান ও বিবাহসংক্রান্ত অভিযোগ এবং কূটনৈতিক মর্যাদার অপব্যবহার চোর সন্দেহে রংপুরে ৩ জনকে পিটিয়ে হত্যা ফুলবাড়ীতে মাইক্রোওয়েভ স্টেশনটি সংস্কার না করায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে গেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৭৭, মামলা ৩৪ সারাদেশে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো দুর্গাপূজা উৎসব আটোয়ারীতে নসিমনের (ভটভটি) ধাক্কায় সাইকেল আরোহীর মৃত্যু

গার্ড রুমের ওয়াশরুমে মিলল পুলিশ সদস্যের লাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০২:৫৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৫৩৯ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধায় পুলিশ সুপারের বাসভবনের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা নায়েক হাবিবুর রহমানের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার বিকেলে গাইবান্ধা পুলিশ সুপারের বাসভবনের গার্ড রুমের ওয়াশরুম থেকে তার লাশ উদ্ধার করেন সহকর্মীরা। নিহত হাবিবুর রহমান নীলফামারীর বাবুপাড়া এলাকার মিন্টু মিয়ার ছেলে। তিনি স্ত্রী ও এক সন্তানকে নিয়ে ঢাকায় বসবাস করতেন।

পুলিশ জানায়, প্রায় এক সপ্তাহ আগে ঢাকার ডিএমপি থেকে বদলি হয়ে গাইবান্ধায় যোগ দেন হাবিবুর রহমান। যোগদানের পর তাকে গাইবান্ধার পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিনের বাসভবনের নিরাপত্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়। এ কারণে তিনি গার্ড রুমেই থাকতেন। তবে তার স্ত্রী ও সন্তান ঢাকাতেই অবস্থান করছিলেন।

সহকর্মীদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিষয় নিয়ে হাবিবুর রহমানের মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল। পরিবারের সঙ্গে তার ফোনালাপে তর্ক-বিতর্ক ও অসংলগ্ন কথাবার্তা সহকর্মীদের নজরেও এসেছিল। বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মোবাইল ফোনে পরিবারের কারও সঙ্গে কথা বলছিলেন হাবিবুর। একপর্যায়ে কথা কাটাকাটি করতে করতে সহকর্মীদের কাছ থেকে উঠে গার্ড রুমের ওয়াশরুমে প্রবেশ করেন তিনি।

দীর্ঘ সময় পার হলেও ওয়াশরুম থেকে কোনো সাড়া না পাওয়ায় সহকর্মীরা দরজায় ডাকাডাকি করেন। ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে পরে দরজা খুলে তাকে গলায় গামছা প্যাঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখেন তারা। এ সময় সহকর্মীদের চিৎকারে পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। খবর দেওয়া হয় গাইবান্ধা সদর থানায়।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হাবিবুর রহমানের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। গাইবান্ধা সদর থানার ওসি নাজমুল হুদা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। ঘটনাটি নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের পর আরও স্পষ্ট হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশের নামাজের সময় সূচি

সেহরির শেষ সময় - ভোর: ৪:৪০
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা: ৫:২৮
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৪৬
  • ১১:৪৬
  • ৩:৪৮
  • ৫:২৮
  • ৬:৪২
  • ৬:০০

গার্ড রুমের ওয়াশরুমে মিলল পুলিশ সদস্যের লাশ

আপডেট সময় : ০২:৫৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

গাইবান্ধায় পুলিশ সুপারের বাসভবনের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা নায়েক হাবিবুর রহমানের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার বিকেলে গাইবান্ধা পুলিশ সুপারের বাসভবনের গার্ড রুমের ওয়াশরুম থেকে তার লাশ উদ্ধার করেন সহকর্মীরা। নিহত হাবিবুর রহমান নীলফামারীর বাবুপাড়া এলাকার মিন্টু মিয়ার ছেলে। তিনি স্ত্রী ও এক সন্তানকে নিয়ে ঢাকায় বসবাস করতেন।

পুলিশ জানায়, প্রায় এক সপ্তাহ আগে ঢাকার ডিএমপি থেকে বদলি হয়ে গাইবান্ধায় যোগ দেন হাবিবুর রহমান। যোগদানের পর তাকে গাইবান্ধার পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিনের বাসভবনের নিরাপত্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়। এ কারণে তিনি গার্ড রুমেই থাকতেন। তবে তার স্ত্রী ও সন্তান ঢাকাতেই অবস্থান করছিলেন।

সহকর্মীদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিষয় নিয়ে হাবিবুর রহমানের মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল। পরিবারের সঙ্গে তার ফোনালাপে তর্ক-বিতর্ক ও অসংলগ্ন কথাবার্তা সহকর্মীদের নজরেও এসেছিল। বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মোবাইল ফোনে পরিবারের কারও সঙ্গে কথা বলছিলেন হাবিবুর। একপর্যায়ে কথা কাটাকাটি করতে করতে সহকর্মীদের কাছ থেকে উঠে গার্ড রুমের ওয়াশরুমে প্রবেশ করেন তিনি।

দীর্ঘ সময় পার হলেও ওয়াশরুম থেকে কোনো সাড়া না পাওয়ায় সহকর্মীরা দরজায় ডাকাডাকি করেন। ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে পরে দরজা খুলে তাকে গলায় গামছা প্যাঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখেন তারা। এ সময় সহকর্মীদের চিৎকারে পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। খবর দেওয়া হয় গাইবান্ধা সদর থানায়।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হাবিবুর রহমানের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। গাইবান্ধা সদর থানার ওসি নাজমুল হুদা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। ঘটনাটি নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের পর আরও স্পষ্ট হবে।