ঢাকা ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফুলবাড়ীতে মাসিক আইন শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে প্রাণ বঙ্গ মিলার্স লিমিটেড এর কর্মকর্তাদের সৌজন্যে সাক্ষাৎ ফুলবাড়ীর সীমান্তে বিজিবি পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে ৫ লক্ষ ৩৯ হাজার ৮ শত ৯০ টাকার মাদক আটক করেন বাগদান ও বিবাহসংক্রান্ত অভিযোগ এবং কূটনৈতিক মর্যাদার অপব্যবহার চোর সন্দেহে রংপুরে ৩ জনকে পিটিয়ে হত্যা ফুলবাড়ীতে মাইক্রোওয়েভ স্টেশনটি সংস্কার না করায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে গেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৭৭, মামলা ৩৪ সারাদেশে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো দুর্গাপূজা উৎসব আটোয়ারীতে নসিমনের (ভটভটি) ধাক্কায় সাইকেল আরোহীর মৃত্যু

শেখ হাসিনা-শেখ রেহানাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৯:৩০:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৫৩২ বার পড়া হয়েছে

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের নামে ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা ও সাবেক ব্যাংকার মো. নজরুল ইসলাম মজুমদারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে সংস্থাটির সচিব সাইদুর রহমান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১-এ দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলাটি করা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, ১৯৯৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট গঠন করা হয়। দলিল অনুযায়ী, শেখ হাসিনা ট্রাস্টের আজীবন সভাপতি এবং তার অনুপস্থিতিতে শেখ রেহানার সভাপতির দায়িত্ব পালনের কথা উল্লেখ রয়েছে। দুদকের অভিযোগ, সমাজসেবা অধিদপ্তর ও এনজিওবিষয়ক ব্যুরোর প্রয়োজনীয় অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও দেশের ৪১টি তফসিলি ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে ট্রাস্টের নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করা হয়।

অনুসন্ধানে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, তৎকালীন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার নির্বাহী কমিটির নির্ধারিত আলোচ্যসূচিতে বিষয়টি না থাকা সত্ত্বেও ‘বিবিধ’ আলোচনায় তা উপস্থাপন করেন। পরে বিভিন্ন সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ব্যাংকগুলোর সিএসআর তহবিল থেকে ট্রাস্টের অনুকূলে অর্থ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

দুদকের ভাষ্য অনুযায়ী, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধ প্রভাব ও অপরাধমূলক অসদাচরণের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করেন। এতে অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। মামলায় ঘটনাকাল হিসেবে ২০১৭ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময় উল্লেখ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাংলাদেশের নামাজের সময় সূচি

সেহরির শেষ সময় - ভোর: ৪:৪০
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা: ৫:২৮
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৪৬
  • ১১:৪৬
  • ৩:৪৮
  • ৫:২৮
  • ৬:৪২
  • ৬:০০

শেখ হাসিনা-শেখ রেহানাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

আপডেট সময় : ০৯:৩০:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের নামে ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা ও সাবেক ব্যাংকার মো. নজরুল ইসলাম মজুমদারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে সংস্থাটির সচিব সাইদুর রহমান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১-এ দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলাটি করা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, ১৯৯৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট গঠন করা হয়। দলিল অনুযায়ী, শেখ হাসিনা ট্রাস্টের আজীবন সভাপতি এবং তার অনুপস্থিতিতে শেখ রেহানার সভাপতির দায়িত্ব পালনের কথা উল্লেখ রয়েছে। দুদকের অভিযোগ, সমাজসেবা অধিদপ্তর ও এনজিওবিষয়ক ব্যুরোর প্রয়োজনীয় অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও দেশের ৪১টি তফসিলি ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে ট্রাস্টের নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করা হয়।

অনুসন্ধানে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, তৎকালীন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার নির্বাহী কমিটির নির্ধারিত আলোচ্যসূচিতে বিষয়টি না থাকা সত্ত্বেও ‘বিবিধ’ আলোচনায় তা উপস্থাপন করেন। পরে বিভিন্ন সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ব্যাংকগুলোর সিএসআর তহবিল থেকে ট্রাস্টের অনুকূলে অর্থ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

দুদকের ভাষ্য অনুযায়ী, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধ প্রভাব ও অপরাধমূলক অসদাচরণের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করেন। এতে অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। মামলায় ঘটনাকাল হিসেবে ২০১৭ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময় উল্লেখ করা হয়েছে।