ঢাকা ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফুলবাড়ীতে মাসিক আইন শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে প্রাণ বঙ্গ মিলার্স লিমিটেড এর কর্মকর্তাদের সৌজন্যে সাক্ষাৎ ফুলবাড়ীর সীমান্তে বিজিবি পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে ৫ লক্ষ ৩৯ হাজার ৮ শত ৯০ টাকার মাদক আটক করেন বাগদান ও বিবাহসংক্রান্ত অভিযোগ এবং কূটনৈতিক মর্যাদার অপব্যবহার চোর সন্দেহে রংপুরে ৩ জনকে পিটিয়ে হত্যা ফুলবাড়ীতে মাইক্রোওয়েভ স্টেশনটি সংস্কার না করায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে গেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৭৭, মামলা ৩৪ সারাদেশে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো দুর্গাপূজা উৎসব আটোয়ারীতে নসিমনের (ভটভটি) ধাক্কায় সাইকেল আরোহীর মৃত্যু

বিভাগীয় শহরে ট্রাইব্যুনাল বাড়ানোর তাগিদ প্রধান বিচারপতির

নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১০:২২:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৫৩৩ বার পড়া হয়েছে

বিভাগীয় শহরগুলোতে ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে প্রতিটি বিভাগে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ট্রাইব্যুনাল ভবন নির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধান বিচারপতি বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। একই সঙ্গে সাক্ষ্য গ্রহণ, আসামি হাজিরসহ বিচারিক কার্যক্রমের উপযুক্ত ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

শনিবার সকাল ১০টায় সিলেটের গ্র্যান্ড সিলেট হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের হলরুমে সিলেট বিভাগে কর্মরত বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া অভিভাষণে এসব নির্দেশনা দেন প্রধান বিচারপতি। অনুষ্ঠানে সিলেট বিভাগের চার জেলা সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জের বিভিন্ন আদালতে কর্মরত বিচারকেরা দ্রুত ও কার্যকর বিচার নিশ্চিত করতে বিদ্যমান নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন। বিচারক ও সহায়ক কর্মচারীর সংকট, বাজেট স্বল্পতা এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার বিষয়ও তারা প্রধান বিচারপতির কাছে তুলে ধরেন।

বিচারকদের উত্থাপিত সমস্যাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দিয়ে প্রধান বিচারপতি এসব সংকট নিরসনে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানান। বিচারিক কার্যক্রমে তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে এ ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের প্রয়োজনীয় সহযোগিতারও আশ্বাস দেন তিনি। আদালতের নির্ধারিত কর্মঘণ্টার সর্বোচ্চ ও যথাযথ ব্যবহারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন প্রধান বিচারপতি। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া বিচারকদের কর্মস্থল ত্যাগ না করার নির্দেশ দেন তিনি।

বিচারিক মানদণ্ড ও আইন যথাযথভাবে অনুসরণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, বিচারপ্রার্থীদের জন্য দ্রুত ও সুসংহত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই বিচার বিভাগের প্রধান লক্ষ্য। এ লক্ষ্য অর্জনে সর্বোচ্চ সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য বিচারকদের নির্দেশনা দেন তিনি। অনুষ্ঠানে অধস্তন আদালত মনিটরিং কমিটির সিলেট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহ, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. হাবিবুর রহমান সিদ্দিকীসহ সংশ্লিষ্ট বিচারিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় সিলেট বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের বিচারিক কর্মকর্তারা তাদের বিচারিক অভিজ্ঞতা, পেশাগত প্রত্যাশা এবং অধস্তন আদালতের বিচারকার্য পরিচালনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। সিলেট বিভাগের চার জেলার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজরা বক্তব্য দেন। বক্তারা বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ও কার্যকর বিচারসেবা প্রদান, মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি, বিচারিক কার্যক্রমে পেশাগত দক্ষতা ও উৎকর্ষ বৃদ্ধি এবং বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের আস্থা আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে তাদের অভিজ্ঞতা, প্রত্যাশা ও মতামত তুলে ধরেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশের নামাজের সময় সূচি

সেহরির শেষ সময় - ভোর: ৪:৪০
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা: ৫:২৮
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৪৬
  • ১১:৪৬
  • ৩:৪৮
  • ৫:২৮
  • ৬:৪২
  • ৬:০০

বিভাগীয় শহরে ট্রাইব্যুনাল বাড়ানোর তাগিদ প্রধান বিচারপতির

আপডেট সময় : ১০:২২:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিভাগীয় শহরগুলোতে ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে প্রতিটি বিভাগে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ট্রাইব্যুনাল ভবন নির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধান বিচারপতি বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। একই সঙ্গে সাক্ষ্য গ্রহণ, আসামি হাজিরসহ বিচারিক কার্যক্রমের উপযুক্ত ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

শনিবার সকাল ১০টায় সিলেটের গ্র্যান্ড সিলেট হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের হলরুমে সিলেট বিভাগে কর্মরত বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া অভিভাষণে এসব নির্দেশনা দেন প্রধান বিচারপতি। অনুষ্ঠানে সিলেট বিভাগের চার জেলা সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জের বিভিন্ন আদালতে কর্মরত বিচারকেরা দ্রুত ও কার্যকর বিচার নিশ্চিত করতে বিদ্যমান নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন। বিচারক ও সহায়ক কর্মচারীর সংকট, বাজেট স্বল্পতা এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার বিষয়ও তারা প্রধান বিচারপতির কাছে তুলে ধরেন।

বিচারকদের উত্থাপিত সমস্যাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দিয়ে প্রধান বিচারপতি এসব সংকট নিরসনে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানান। বিচারিক কার্যক্রমে তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে এ ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের প্রয়োজনীয় সহযোগিতারও আশ্বাস দেন তিনি। আদালতের নির্ধারিত কর্মঘণ্টার সর্বোচ্চ ও যথাযথ ব্যবহারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন প্রধান বিচারপতি। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া বিচারকদের কর্মস্থল ত্যাগ না করার নির্দেশ দেন তিনি।

বিচারিক মানদণ্ড ও আইন যথাযথভাবে অনুসরণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, বিচারপ্রার্থীদের জন্য দ্রুত ও সুসংহত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই বিচার বিভাগের প্রধান লক্ষ্য। এ লক্ষ্য অর্জনে সর্বোচ্চ সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য বিচারকদের নির্দেশনা দেন তিনি। অনুষ্ঠানে অধস্তন আদালত মনিটরিং কমিটির সিলেট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহ, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. হাবিবুর রহমান সিদ্দিকীসহ সংশ্লিষ্ট বিচারিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় সিলেট বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের বিচারিক কর্মকর্তারা তাদের বিচারিক অভিজ্ঞতা, পেশাগত প্রত্যাশা এবং অধস্তন আদালতের বিচারকার্য পরিচালনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। সিলেট বিভাগের চার জেলার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজরা বক্তব্য দেন। বক্তারা বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ও কার্যকর বিচারসেবা প্রদান, মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি, বিচারিক কার্যক্রমে পেশাগত দক্ষতা ও উৎকর্ষ বৃদ্ধি এবং বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের আস্থা আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে তাদের অভিজ্ঞতা, প্রত্যাশা ও মতামত তুলে ধরেন।