ঢাকা ০৮:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপ-নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মির্জা ফয়সাল আমিন জয়ী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পাদিত জাতীয় স্বার্থবিরোধী দাসত্বের বাণিজ্যচুক্তি ও চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে করা ইজারা চুক্তিসহ সকল অসম বৈদেশিক চুক্তি বাতিল, ফুলবাড়ীতে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা খনি করার পায়তারা বন্ধ ও আন্তর্জাতিক সামরিক জোটে বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করার পাঁয়তারা বন্ধের দাবিতে এবং দেশে দেশে সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধ ও আগ্রাসনের প্রতিবাদে আগামীকাল সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোটের কেন্দ্রীয় সমাবেশ মিঠাপুকুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কাপড় ব্যবসায়ী নিহত ফুলবাড়ীতে মাসিক আইন শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে প্রাণ বঙ্গ মিলার্স লিমিটেড এর কর্মকর্তাদের সৌজন্যে সাক্ষাৎ ফুলবাড়ীর সীমান্তে বিজিবি পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে ৫ লক্ষ ৩৯ হাজার ৮ শত ৯০ টাকার মাদক আটক করেন বাগদান ও বিবাহসংক্রান্ত অভিযোগ এবং কূটনৈতিক মর্যাদার অপব্যবহার চোর সন্দেহে রংপুরে ৩ জনকে পিটিয়ে হত্যা ফুলবাড়ীতে মাইক্রোওয়েভ স্টেশনটি সংস্কার না করায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে গেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

মাগুরায় ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিল ২৯ হাজার টাকা

মাগুরা জেলা প্রতিনিধি :
  • আপডেট সময় : ১০:০২:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৫৩৭ বার পড়া হয়েছে

মাগুরায় পল্লী বিদ্যুতের অস্বাভাবিক বিল নিয়ে আবারও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে গ্রাহকদের মধ্যে। মাত্র ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করেও এক গ্রাহকের নামে বিল এসেছে ২৯ হাজার ১৩৮ টাকা। এ ঘটনায় চরম বিপাকে পড়েছেন জেলার এক সাধারণ কৃষক।

অভিযোগকারী গ্রাহক বাবু মোল্যা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তার মাসিক বিদ্যুৎ বিল সাধারণত ২০০ থেকে ২৫০ টাকার মধ্যে হয়ে আসছিল। কিন্তু এবার মাত্র ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে তার হাতে দেওয়া হয়েছে ২৯ হাজার ১৩৮ টাকার বিল। অস্বাভাবিক এই বিল দেখে তিনি হতবাক হয়ে পড়েছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মাগুরা পল্লী বিদ্যুতের বিলিং ব্যবস্থায় এমন অসঙ্গতির ঘটনা নতুন নয়। এর আগে ৫০৬ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল সংক্রান্ত খবর নিয়েও ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা হয়। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই মাত্র ২০ ইউনিট ব্যবহারে প্রায় ২৯ হাজার টাকার বিলের অভিযোগ সামনে এলো।

গ্রাহকদের প্রশ্ন, যেখানে বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়েছে মাত্র ২০ ইউনিট সেখানে কীভাবে এত বিপুল পরিমাণ বিল তৈরি হলো? মিটার রিডিংয়ে ভুল হয়েছে, নাকি বিল তৈরির প্রক্রিয়ায় রয়েছে কোনো গাফিলতি—তা দ্রুত তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন ভুক্তভোগীরা। অভিযোগ রয়েছে, বিলের ভুল-ত্রুটির কারণে বারবার সাধারণ গ্রাহকদের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। বিশেষ করে কৃষক ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য অস্বাভাবিক বিল বড় ধরনের আর্থিক ও মানসিক চাপ তৈরি করছে।

ভুক্তভোগী বাবু মোল্যা অস্বাভাবিক এই বিল সংশোধন করে প্রকৃত ব্যবহারের ভিত্তিতে বিল নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ভুলের পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি। সাধারণ গ্রাহকদের প্রত্যাশা, মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে বিলের ভুলের কারণ শনাক্ত করবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশের নামাজের সময় সূচি

সেহরির শেষ সময় - ভোর: ৪:৪২
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা: ৫:২৪
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৪৮
  • ১১:৪৫
  • ৩:৪৪
  • ৫:২৪
  • ৬:৩৯
  • ৬:০৩

মাগুরায় ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিল ২৯ হাজার টাকা

আপডেট সময় : ১০:০২:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

মাগুরায় পল্লী বিদ্যুতের অস্বাভাবিক বিল নিয়ে আবারও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে গ্রাহকদের মধ্যে। মাত্র ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করেও এক গ্রাহকের নামে বিল এসেছে ২৯ হাজার ১৩৮ টাকা। এ ঘটনায় চরম বিপাকে পড়েছেন জেলার এক সাধারণ কৃষক।

অভিযোগকারী গ্রাহক বাবু মোল্যা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তার মাসিক বিদ্যুৎ বিল সাধারণত ২০০ থেকে ২৫০ টাকার মধ্যে হয়ে আসছিল। কিন্তু এবার মাত্র ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে তার হাতে দেওয়া হয়েছে ২৯ হাজার ১৩৮ টাকার বিল। অস্বাভাবিক এই বিল দেখে তিনি হতবাক হয়ে পড়েছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মাগুরা পল্লী বিদ্যুতের বিলিং ব্যবস্থায় এমন অসঙ্গতির ঘটনা নতুন নয়। এর আগে ৫০৬ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল সংক্রান্ত খবর নিয়েও ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা হয়। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই মাত্র ২০ ইউনিট ব্যবহারে প্রায় ২৯ হাজার টাকার বিলের অভিযোগ সামনে এলো।

গ্রাহকদের প্রশ্ন, যেখানে বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়েছে মাত্র ২০ ইউনিট সেখানে কীভাবে এত বিপুল পরিমাণ বিল তৈরি হলো? মিটার রিডিংয়ে ভুল হয়েছে, নাকি বিল তৈরির প্রক্রিয়ায় রয়েছে কোনো গাফিলতি—তা দ্রুত তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন ভুক্তভোগীরা। অভিযোগ রয়েছে, বিলের ভুল-ত্রুটির কারণে বারবার সাধারণ গ্রাহকদের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। বিশেষ করে কৃষক ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য অস্বাভাবিক বিল বড় ধরনের আর্থিক ও মানসিক চাপ তৈরি করছে।

ভুক্তভোগী বাবু মোল্যা অস্বাভাবিক এই বিল সংশোধন করে প্রকৃত ব্যবহারের ভিত্তিতে বিল নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ভুলের পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি। সাধারণ গ্রাহকদের প্রত্যাশা, মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে বিলের ভুলের কারণ শনাক্ত করবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।