২১০টির বেশি স্কুলের অধ্যক্ষদের নিয়ে ব্রিটিশ কাউন্সিলের আয়োজন

- আপডেট সময় : ১১:০৫:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
- / ৫২৯ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের বিভিন্ন স্কুলের প্রধানদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্রিটিশ কাউন্সিলের বার্ষিক ‘পার্টনার স্কুলস প্রিন্সিপালস মিট ২০২৬’। ঢাকার শেরাটন হোটেলে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দেশের ২১০টির বেশি পার্টনার স্কুলের অধ্যক্ষ ও জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে স্কুল ও শিক্ষকদের অবদানের কথা তুলে ধরার পাশাপাশি ব্রিটিশ কাউন্সিলের পার্টনার স্কুল নেটওয়ার্কের বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উদ্যোগের স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্ট, পিয়ারসন এডেক্সেল এবং অক্সফোর্ডএকিউএর প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ সফরের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠানে যোগ দেন ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী স্কট ম্যাকডোনাল্ড। তিনি বাংলাদেশের পার্টনার স্কুল নেটওয়ার্কের গুরুত্ব এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলের বৈশ্বিক পার্টনার স্কুল নেটওয়ার্কে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষা সহযোগিতা এবং পারস্পরিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে স্কুল ও শিক্ষকদের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেন।
অনুষ্ঠানে দেওয়া হয় ‘ব্রিটিশ কাউন্সিল পার্টনার স্কুলস অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬’। ছয়টি ক্যাটাগরিতে স্কুলগুলোর বিভিন্ন প্রশংসনীয় উদ্যোগের স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ক্যাটাগরিগুলো হলো—ক্লাইমেট অ্যাকশন, ডিজিটাল লার্নিং এক্সিলেন্স, ইক্যুয়ালিটি ডাইভার্সিটি অ্যান্ড ইনক্লুশন, লিডারশিপ ইন টিচিং, সেফগার্ডিং এবং ওয়েলবিইং।
একটি স্বাধীন বিচারক প্যানেল অংশ নেওয়া স্কুলগুলোর জমা দেওয়া কাজ নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী মূল্যায়ন করে।
ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের হেড অব মার্কেট জুনায়েদ আহমেদ বলেন, পার্টনার স্কুলগুলো শুধু আন্তর্জাতিক যোগ্যতা অর্জনের জায়গা নয়। এগুলো এমন একটি শিক্ষক কমিউনিটি, যেখানে সবাই নিয়মিত শিখছেন, নতুন উদ্যোগ নিচ্ছেন এবং নিজেদের অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছেন।
প্রিন্সিপালস মিটে শিক্ষা খাতের ভবিষ্যৎ নিয়েও আলোচনা করেন স্কুলপ্রধানরা। আলোচনায় উঠে আসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং পাঠদান ও শিক্ষার্থী মূল্যায়নে এর প্রভাব, বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ, স্কুল নেতৃত্ব ও উদ্ভাবন, শিক্ষার্থীদের কল্যাণ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অংশীদারিত্ব জোরদারের মতো বিষয়।
অনুষ্ঠানে স্কট ম্যাকডোনাল্ড, ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস এবং জুনায়েদ আহমেদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি কন্টিনিউয়িং প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট বা সিপিডি কর্মসূচির হালনাগাদ তথ্য তুলে ধরা হয়। সামাজিক ও আবেগীয় শিক্ষার ওপরও একটি বিশেষ সেশন ছিল।
ব্রিটিশ কাউন্সিল জানিয়েছে, প্রতিবছর পার্টনার স্কুলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ, তাদের অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানানো এবং অর্জনের স্বীকৃতি দিতে এ প্রিন্সিপালস মিট আয়োজন করা হয়। একই সঙ্গে স্কুলপ্রধানদের নিজেদের অভিজ্ঞতা ও ভাবনা বিনিময়ের সুযোগও তৈরি হয় এ আয়োজনের মাধ্যমে।





















