কোরআন তেলাওয়াতের ফজিলত ও মর্যাদা

- আপডেট সময় : ০২:৩৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৫৩৩ বার পড়া হয়েছে

পবিত্র কোরআন মুসলমানদের কাছে আল্লাহর কালাম এবং হেদায়েতের প্রধান উৎস। কোরআনের প্রতিটি আয়াতে রয়েছে মানবজাতির জন্য পথনির্দেশ। আর কোরআন তেলাওয়াতকে ইসলামে বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ ইবাদত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
হাদিসে কোরআন তেলাওয়াতের বিভিন্ন ফজিলতের কথা বর্ণিত হয়েছে। হজরত আবু মুসা আশআরি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হাদিসে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোরআন তেলাওয়াতকারী মুমিনের উদাহরণ সুগন্ধি ও সুস্বাদু ফলের সঙ্গে তুলনা করেছেন। অর্থাৎ কোরআনের সঙ্গে সম্পর্ক একজন মুমিনের চরিত্র ও জীবনে কল্যাণের প্রভাব ফেলতে পারে।
নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেছেন কোরআনের একটি অক্ষর পাঠ করলে একটি নেকি পাওয়া যায় এবং প্রতিটি নেকি দশ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। এই বর্ণনা কোরআন তেলাওয়াতের প্রতি মুমিনদের উৎসাহিত করে। কোরআন শেখা ও শেখানোরও রয়েছে বিশেষ মর্যাদা। সহিহ বুখারির বর্ণনা অনুযায়ী নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন তাদের মধ্যে উত্তম ব্যক্তি যিনি নিজে কোরআন শেখেন এবং অন্যকে শেখান।
কোরআন তেলাওয়াত শুধু রমজান মাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সারা বছর নিয়মিত করার সুযোগ রয়েছে। নামাজের আগে বা পরে এবং সকাল ও সন্ধ্যায় অল্প সময় করে কয়েক পৃষ্ঠা কোরআন পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা যেতে পারে। যারা পুরো কোরআন পড়তে পারেন না তারা ছোট ছোট সূরা দিয়ে শুরু করতে পারেন। কোরআন তেলাওয়াতের পাশাপাশি এর অর্থ বোঝা এবং বিধিবিধান অনুযায়ী জীবন পরিচালনার চেষ্টাও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ কোরআন শুধু তেলাওয়াতের জন্য নয় বরং মানুষের জীবনকে সঠিক পথে পরিচালনার জন্য নাজিল হয়েছে।
হাদিসে আরও এসেছে কোরআন কেয়ামতের দিন তার তেলাওয়াতকারীর জন্য সুপারিশ করবে। আর যে ব্যক্তি কষ্ট হওয়া সত্ত্বেও কোরআন পাঠ করে তার জন্য দ্বিগুণ সওয়াবের কথা বর্ণিত হয়েছে। তাই নিয়মিত কোরআন তেলাওয়াতের পাশাপাশি শুদ্ধভাবে কোরআন শেখা এর অর্থ বোঝা এবং জীবনে কোরআনের শিক্ষা অনুসরণের চেষ্টা করা একজন মুমিনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আমল।





















