ঢাকা ০৩:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপ-নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মির্জা ফয়সাল আমিন জয়ী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পাদিত জাতীয় স্বার্থবিরোধী দাসত্বের বাণিজ্যচুক্তি ও চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে করা ইজারা চুক্তিসহ সকল অসম বৈদেশিক চুক্তি বাতিল, ফুলবাড়ীতে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা খনি করার পায়তারা বন্ধ ও আন্তর্জাতিক সামরিক জোটে বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করার পাঁয়তারা বন্ধের দাবিতে এবং দেশে দেশে সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধ ও আগ্রাসনের প্রতিবাদে আগামীকাল সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোটের কেন্দ্রীয় সমাবেশ মিঠাপুকুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কাপড় ব্যবসায়ী নিহত ফুলবাড়ীতে মাসিক আইন শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে প্রাণ বঙ্গ মিলার্স লিমিটেড এর কর্মকর্তাদের সৌজন্যে সাক্ষাৎ ফুলবাড়ীর সীমান্তে বিজিবি পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে ৫ লক্ষ ৩৯ হাজার ৮ শত ৯০ টাকার মাদক আটক করেন বাগদান ও বিবাহসংক্রান্ত অভিযোগ এবং কূটনৈতিক মর্যাদার অপব্যবহার চোর সন্দেহে রংপুরে ৩ জনকে পিটিয়ে হত্যা ফুলবাড়ীতে মাইক্রোওয়েভ স্টেশনটি সংস্কার না করায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে গেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

কিশমিশ পুষ্টিকর তবে বেশি খেলেই বিপদ

নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৩:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৫২৪ বার পড়া হয়েছে

পোলাও পায়েস কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি খাবারে কিশমিশের ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়। আবার অনেকে স্বাস্থ্য ভালো রাখতে প্রতিদিন কয়েকটি কিশমিশ খেয়ে থাকেন। এতে রয়েছে ফাইবার প্রোটিন আয়রন পটাশিয়াম ও কপারের মতো বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান।

পরিমিত কিশমিশ শরীরে শক্তি জোগাতে এবং হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে। অনেকেই সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে রাখা কিশমিশ সকালে খালি পেটে খান। তবে কিশমিশ যত বেশি খাবেন তত বেশি উপকার পাবেন এমনটা নয়। বিশেষ করে ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন যারা তাদের কিশমিশ খাওয়ার পরিমাণের দিকে নজর রাখা জরুরি।

আরও পড়ুন,

সাধারণভাবে দিনে ৪০ থেকে ৫০ গ্রাম পর্যন্ত কিশমিশ খাওয়ার কথা বলা হয়। এর বেশি খেলে শরীরে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে।

প্রথমত হতে পারে অ্যালার্জির সমস্যা। কিশমিশে থাকা বিভিন্ন উপাদান কারও কারও ক্ষেত্রে অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে। এতে গলা ব্যথা কাশি কিংবা ত্বকে র‍্যাশের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

দ্বিতীয়ত অতিরিক্ত কিশমিশে হজমের সমস্যা হতে পারে। এতে প্রচুর ফাইবার রয়েছে। পরিমিত ফাইবার হজমে সহায়তা করলেও বেশি ফাইবার পেটের অস্বস্তি ও হজমের গোলমাল তৈরি করতে পারে। পর্যাপ্ত পানি না খেলে সমস্যা আরও বাড়তে পারে।

আরও পড়ুন,

তৃতীয়ত অতিরিক্ত কিশমিশ খেলে কারও রক্তচাপ প্রয়োজনের তুলনায় বেশি কমে যেতে পারে। বিশেষ করে যারা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের ওষুধ খান তাদের খাবারের পরিমাণ নিয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

চতুর্থত নিয়মিত বেশি কিশমিশ খেলে ওজন বেড়ে যেতে পারে। আকারে ছোট হলেও কিশমিশে ক্যালোরি কম নয়। ফলে অতিরিক্ত খেলে দৈনিক মোট ক্যালোরি গ্রহণ বেড়ে যেতে পারে।

পঞ্চমত কিশমিশে থাকা প্রাকৃতিক চিনি অতিরিক্ত খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে পারে। তাই যাদের রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি তাদের পরিমাণের বিষয়ে বিশেষভাবে সতর্ক থাকা উচিত।

সবশেষে মনে রাখতে হবে কিশমিশ পুষ্টিকর খাবার হলেও পরিমিত খাওয়াই গুরুত্বপূর্ণ। বেশি খেলেই বেশি উপকার পাওয়া যাবে এমন ধারণা ঠিক নয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাংলাদেশের নামাজের সময় সূচি

সেহরির শেষ সময় - ভোর: ৪:৪২
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা: ৫:২৪
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৪৮
  • ১১:৪৫
  • ৩:৪৪
  • ৫:২৪
  • ৬:৩৯
  • ৬:০৩

কিশমিশ পুষ্টিকর তবে বেশি খেলেই বিপদ

আপডেট সময় : ০৬:৩৩:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পোলাও পায়েস কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি খাবারে কিশমিশের ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়। আবার অনেকে স্বাস্থ্য ভালো রাখতে প্রতিদিন কয়েকটি কিশমিশ খেয়ে থাকেন। এতে রয়েছে ফাইবার প্রোটিন আয়রন পটাশিয়াম ও কপারের মতো বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান।

পরিমিত কিশমিশ শরীরে শক্তি জোগাতে এবং হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে। অনেকেই সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে রাখা কিশমিশ সকালে খালি পেটে খান। তবে কিশমিশ যত বেশি খাবেন তত বেশি উপকার পাবেন এমনটা নয়। বিশেষ করে ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন যারা তাদের কিশমিশ খাওয়ার পরিমাণের দিকে নজর রাখা জরুরি।

আরও পড়ুন,

সাধারণভাবে দিনে ৪০ থেকে ৫০ গ্রাম পর্যন্ত কিশমিশ খাওয়ার কথা বলা হয়। এর বেশি খেলে শরীরে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে।

প্রথমত হতে পারে অ্যালার্জির সমস্যা। কিশমিশে থাকা বিভিন্ন উপাদান কারও কারও ক্ষেত্রে অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে। এতে গলা ব্যথা কাশি কিংবা ত্বকে র‍্যাশের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

দ্বিতীয়ত অতিরিক্ত কিশমিশে হজমের সমস্যা হতে পারে। এতে প্রচুর ফাইবার রয়েছে। পরিমিত ফাইবার হজমে সহায়তা করলেও বেশি ফাইবার পেটের অস্বস্তি ও হজমের গোলমাল তৈরি করতে পারে। পর্যাপ্ত পানি না খেলে সমস্যা আরও বাড়তে পারে।

আরও পড়ুন,

তৃতীয়ত অতিরিক্ত কিশমিশ খেলে কারও রক্তচাপ প্রয়োজনের তুলনায় বেশি কমে যেতে পারে। বিশেষ করে যারা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের ওষুধ খান তাদের খাবারের পরিমাণ নিয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

চতুর্থত নিয়মিত বেশি কিশমিশ খেলে ওজন বেড়ে যেতে পারে। আকারে ছোট হলেও কিশমিশে ক্যালোরি কম নয়। ফলে অতিরিক্ত খেলে দৈনিক মোট ক্যালোরি গ্রহণ বেড়ে যেতে পারে।

পঞ্চমত কিশমিশে থাকা প্রাকৃতিক চিনি অতিরিক্ত খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে পারে। তাই যাদের রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি তাদের পরিমাণের বিষয়ে বিশেষভাবে সতর্ক থাকা উচিত।

সবশেষে মনে রাখতে হবে কিশমিশ পুষ্টিকর খাবার হলেও পরিমিত খাওয়াই গুরুত্বপূর্ণ। বেশি খেলেই বেশি উপকার পাওয়া যাবে এমন ধারণা ঠিক নয়।