আব্দুল হালিম, ব্যুরো প্রধান, রংপুরঃ
বাংলাদেশের ৩ বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয় আজ ৩১শে ডিসেম্বর ২০২৫ বুধবার বাদ যোহর। জানাজা শেষে তাঁর স্বামী প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হয়।
সংসদ ভবনের উত্তর প্লাজায় লক্ষ লক্ষ লোক জানাজায় শরিক হন। জানাজায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, ৩ বাহিনীর প্রধান, উপদেষ্টাগণ, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর সহ কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যগণ, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, রাষ্ট্রদূত, জামায়াত কেন্দ্রীয় কমিটির আমীর ডাঃ শফিকুর রহমান, বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তি ও পেশাজীবী লোকজন জানাজায় উপস্থিত ছিলেন। প্রধান উপদেষ্টা, বেগম জিয়াকে ‘গণতন্ত্রের পাহারাদার’ ও ‘জাতির অভিভাবক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
এ ছাড়াও সারাদেশের ন্যায় রংপুর বিভাগ থেকে সাবেক মন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু, দিনাজপুর থেকে ডাঃ এ জেড এম জাহিদ, রংপুর ৩ আসনের প্রার্থী (ধানের শীষ) সামসুজ্জামান সামু, রংপুর জেলা বিএনপির আহবায়ক ও রংপুর ৬ (পীরগন্জ) আসনের এমপি প্রার্থী (ধানের শীষ) জননেতা সাইফুল ইসলাম, রংপুর ৪ (পীরগাছা -কাউনিয়া) আসনের এমপি প্রার্থী (ধানের শীষ) এমদাদুল হক ভরসা, মিঠাপুকুর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি ও রংপুর ৫ (মিঠাপুকুর) আসনের এমপি প্রার্থী(ধানের শীষ) সহকারী অধ্যাপক গোলাম রব্বানী, কয়েকটি বাসযোগে ঢাকায় পৌছেন ও বেগম জিয়ার জানাজায় শরিক হন।
ফ্যাসিস্ট সরকারের নির্যাতন, কারাভোগ ও বার্ধক্যজনিত জটিলতা ও নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হয়ে গত ৩০শে ডিসেম্বর ২০২৫ মঙ্গলবার ভোর ৬ টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
১৯৪৫ সালে জন্ম নেওয়া খালেদা খানম ‘পুতুল’ থেকে হয়ে উঠেছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। ১৯৮১ সালে স্বামী রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যার পর ঘরোয়া রাজনীতির আঙ্গিনা ছেড়ে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে দলের হাল ধরেছিলেন।
১৯৯১, ১৯৯৬ এবং ২০০১ সালে-তিন বারে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তিনি শিক্ষা, নারী উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সংস্কারে অভূতপূর্ব স্বাক্ষর রেখে গেছেন।
এ ছাড়াও রূপসী গ্রাম উন্নয়ন সংস্থা (রূগ্রাউস) আজীবন দাতা রচিম হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ জহুরুল হক, ঢাকা প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক কাজী ফরিদ আহমেদ, রূগ্রাউস আজীবন দাতা ও রাজউক পরিচালক হামিদুল ইসলাম জানাজায় শরিক হন।
উপরোক্ত ব্যক্তিগণ মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, দলীয় নেতাকর্মী ও দেশবাসীর প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তাঁরা মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন,
আল্লাহ যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং শোকাহত সবাইকে ধৈর্য ধারণের তাওফিক দান করেন।













