রংপুরের তারাগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা দম্পতিকে কুপিয়ে হত্যা এবং সারাদেশে হত্যা-খুন, সহিংসতার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ। জনগণের জনমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণে দাবি গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের।।
গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে সংবাদপত্রে দেওয়া এক বিবৃতিতে রংপুরের তারাগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক যোগেশ চন্দ্র রায় ও তার স্ত্রী সুবর্ণা রায়কে কুপিয়ে হত্যা এবং সারাদেশে হত্যা-খুন, সহিংসতার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে যোগেশ দম্পতির হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করেছেন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সারাদেশে আইন শঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নেই। পত্রিকার পাতা খুললেই হত্যা-খুন, সহিংসতা, মব সন্ত্রাসের খবর চোখে পড়ে। আজও একই পত্রিকার শিরোনাম মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ দম্পতি হত্যার খবর। একই সাথে গাজীপুরে কৃষককে কুপিয়ে হত্যা, যশোরে তরুণ খুন, ঝিনাইদহে বটির আঘাতে যুবক খুন, হবিগঞ্জে স্ত্রীকে হত্যাসহ অসংখ্য হত্যা-খুনের খবর। মানুষ জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছে। সরকার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, রংপুরের মুক্তযোদ্ধা যোগেশ ও তার স্ত্রী সুবর্ণা রায়ের নিজ বাড়িতে হত্যা খুবই উদ্বেগজনক। নেতৃবৃন্দ হত্যার সাথে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। একই সাথে জনগণের জানমালের নিরপত্তা নিশ্চিত ও আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন বাসদের সাধারণ সম্পাদক কমরেড বজলুর রশীদ ফিরোজ, সিপিবির সভাপতি সাজ্জাদ জহির চন্দন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ ক্কাফী রতন, বাংলাদেশ জাসদ-এর সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, বাসদ (মার্কসবাদী) সমন্বয়ক মাসুদ রানা, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক পার্টির নির্বাহী সভাপতি আব্দুল আলী।
বার্তা প্রেরক
রাজেকুজ্জামান রতন
সহসাধারণ সম্পাদক, বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটি।













