জামায়াত আমির বলেন, ‘যারা জুলাই বিপ্লবের স্বীকৃতি দিতে রাজি নয় তাদের জন্য ২৬ এ কোনো নির্বাচন নেই । জুলাই সনদের আইনি ভিত্তির পাটাতন তৈরি করতে হবে জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোটের মাধ্যমে। আর জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি ছাড়া কোনো নির্বাচন হবে না। তিনি জানতে চান যারা জুলাইয়ের চেতনার প্রতি সম্মান রাখতে পারছে না, তারা জাতীয় নির্বাচনে মানুষের মতকে সম্মান জানাবে কীভাবে ?’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তাহারা আন্দোলন চালিয়ে যাবে। জুলাই সনদে জনগণের দাবির প্রতিফলন ঘটেছে, তাই যতক্ষণ পর্যন্ত জনগণের দাবি পূরণ না করতে পারছে , ততক্ষণ আন্দোলন অব্যাহত রাখবে।’
সবাবেশে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম মিয়া পরওয়ার বলেন, ‘সাংবিধানিক সংস্কারসমূহের আইনি ভিত্তি কেবলমাত্র গণভোটের মাধ্যমেই সম্ভব। অন্যথায় জাতীয় নির্বাচনের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ থাকবে। জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে গণভোটের মধ্য দিয়ে জুলাই জাতীয় সনদের আইনগত ভিত্তি প্রদানসহ পাঁচ দফা গণদাবিই আদায়ই আজকের এই জনসমাবেশের মূল উদ্দেশ্য।’
সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ মনে করেন, সংবিধানে গণভোটের বিধান নেই। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংবিধান সংশোধন করে গণভোটের ধারা বাতিল করেছিলেন শেখ হাসিনা। এখন যারা বলেন সংবিধানে গণভোট নেই, তারা কি তাহলে হাসিনার সুরে কথা বলেন না?’
তিনি আরও প্রশ্ন করেন, ‘পাঁচ বছর পরপর নির্বাচনের কথা সংবিধানের কোথায় লেখা আছে? ২০২৪ এ যদি নির্বাচন হয়, তাহলে ২০২৬ সালে নির্বাচন হবে কোথায় লেখা আছে?
যারাই সংবিধান সংবিধান করেন তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বিলেন সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হতে হবে ২০২৯ সালে।’













