রাজধানীর কাপ্তান বাজারের রাত্রিকালীন পাইকারি মুরগি বাজারটি ঢাকা প্যাসিফিক লিমিটেড’কে বাৎসরিক ইজারাদার হিসেবে কার্যাদেশ প্রাদান করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন।
গতকাল সোমবার রাত ১২:১৫ মিনিটে ডিএসসিসি’র দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলামের উপস্থিতিতে, মাইকে ঘোষণা করে নতুন ইজারাদার ঢাকা প্যাসিফিক লিমিটেডের সত্ত্বাধিকারী মোঃ শাখাওয়াত হোসেনকে বাৎসরিক ইজারারের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন।
কার্যাদেশ অনুযায়ী, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ৩৮ নং ওয়ার্ডস্থিত বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক হাসপাতালের দক্ষিণ ব্লকের ২৪৪৮ বর্গফুট ও পার্শ্ববর্তী পশ্চিম ব্লকের ৩৯৭৭ বর্গফুট এবং ৩৮ নং ওয়ার্ডস্থিত পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের হাজিরা অফিসের পূর্ব-পশ্চিম ব্লকে খালি অবস্থায় থাকা ৫,৫৩৫ বর্গফুট জায়গায় রাত্রিকালীন পাইকারী মুরগি বাজার বাৎসরিক ইজারার নিমিত্ত আহবানকৃত দরপত্রের মধ্যে সর্বোচ্চ দর প্রস্তাবকারী হিসেবে দাখিলকৃত ইজারা মূল্য বাবদ ৩,৬৭,৯৩,০০০/- (তিন কোটি সাতষট্টি লক্ষ তিরানব্বই হাজার) টাকা এবং উক্ত টাকার ওপর নির্ধারিত ভ্যাট ও আয়কর
কার্যাদেশ দেওয়া শর্তানুযায়ী, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের তহবিলে ও সরকারী কোষাগারে জমা প্রদান করায় বর্ণিত রাত্রিকালীন মুরগী বাজারটি কার্যাদেশে দেওয়া শর্ত প্রতিপালন সাপেক্ষে ১৯/১১/২৫ খ্রি. হতে ১৮/১১/২৬ ইং তারিখ পর্যন্ত ০১ (এক) বৎসর মেয়াদে ইজারার কার্যাদেশ প্রদান করা হলো।
এসময় ইজারাদার ঢাকা প্যাসিফিক লিমিটেডের সত্ত্বাধিকারী মোঃ শাখাওয়াত হোসেন বলেন, সেপ্টেম্বরে সিটি কর্পোরেশন দরপত্র আহবান করলে আমরা সেখানে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে নির্বাচিত হই।বিগত দিনে স্বৈরাচার পালানোর পর এই বাজারটি ছিল নাম মাত্র একটি খাস কালেকশনের বাজার। আগে যারা বাজারটি পরিচালনা করত তারা দীর্ঘদিন রাজস্ব জমা না দেওয়ার কারনে সিটি কর্পোরেশন পুনরায় দরপত্র দেয়,গত অক্টোবরের ১৬ তারিখে সিটি কর্পোরেশন যখন খাস কালেকশন কমিটি করে আমাদের দায়িত্ব দিলে,আমরা খাস কালেকশন আদায়ে আসলে বিভিন্ন হুমকি ও বাধাগ্রস্ত হয়।ব্যপারটি সিটি কর্পোরেশনকে জানালে সিটি কর্পোরেশন আমাদের ১৯শে নভেম্বর ইজারাদার হিসেবে দায়িত্ব দেয়।
বাজারে ব্যবসায়ীদের অনুপস্থিত কেন এমন প্রশ্নের জবাবে ইজারাদার শাখাওয়াত সাস নিউজকে বলেন, একটা সিন্ডিকেট, ব্যবসায়ীদের ভয় ভীতি দেখিয়েছে তাই অনুপস্থিত, তাই আমরা আজকে রাজস্ব উঠাতে পারি নাই।
তিনি আরো বলেন, বাজারে বন্ধ থাকলে সরকারের ক্ষতি হয়,ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হয়,এখানে হাজার হাজার শ্রমিক রয়েছে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাই আমি বলব যারা সিন্ডিকেট আপনারা আমাদের সহযোগী হিসেবে কাজ করুন এবং রাজস্ব আদায়ে আমরা সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।
তবে গত দুইদিন ব্যবসায়ীদের মতবিরোধের জেরে মুরগি দোকান গুলো অনুপস্থিত থাকলেও মঙ্গল বার থেকে সকল মুরগি ব্যবসায়ীরাই আগের মতই আসতে শুরু করেছে।













