বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ছিল সাম্যের আকাংখায়, ৯০ এর গণ অভ্যুত্থান ছিল গণতন্ত্রের আকাংখায় আর ২৪ এর গণঅভ্যুত্থান ছিল বৈষম্য দূর করার আকাংখায়। আর এই আকাংখা পূরণ হতে পারে শোষণমুক্ত সমাজ গড়ে তোলার মাধ্যমে। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল মানুষের অধিকার এবং দেশের সম্পদ ও প্রাণ প্রকৃতি রক্ষার মধ্যে দিয়ে শোষণমুক্ত সমাজ গড়ার আন্দোলন করছে। সেই আন্দোলনের অংশ হিসাবে বাসদের প্রার্থীরা “মই” মার্কা নিয়ে এবারের সংসদ নির্বাচনে লড়ছে। আপনাদের প্রতিটি ভোট শোষণ-লুন্ঠনের ব্যবস্থার বিপরীতে শোষণ মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে শক্তি যোগাবে। তাই বৈষম্য বিলোপের চাওয়া বাস্তবায়নের জন্য ঢাকা-৪ আসনে “মই” মার্কায় ভোট দিন। – এই আহবানে ঢাকা-৪ আসনে বাসদ মনোনিত প্রার্থী জাকির হোসেন পালপাড়া, বরইতলা রেলগেট এলাকায় গণসংয়োগ করেন। গণসংযোগ কালে “মই” মার্কায় সংসদ সদস্য প্রার্থী জাকির হোসেনের সাথে ছিলেন শ্রমিক নেতা অ্যাডভোকেট বিমল সাহা, দাউদ আলী মামুন, জালাল আহমেদ, মোহাম্মদ শাজাহান, ছাত্র নেতা মুক্তা বাড়ৈ প্রমুখ।
ঢাকা ১৩ আসনের মই মার্কার প্রার্থী খালেকুজ্জামান লিপন আজ জাফরাবাদ হাউজিং, রায়ের বাজার, শংকর এলাকায় গণসংযোগ ও পথসভা করেন। গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা- ১৩ আসনের মই মার্কার প্রার্থী খালেকুজ্জামান লিপন, বাসদ মোহাম্মদ পুর এর সদস্য সচিব অ্যাড. ফারুখ হোসেন, সিপিবি নেতা নুরুজ্জামান, নিমাই গাঙ্গুলী, নারীনেত্রী রুখসানা আফরোজ আশা, শ্রমিক নেতা বাবু হাসান, নুর আলম, ছাত্র নেতা শুভ প্রমুখ। গণ সংয়োগ কালে শোষণ ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন প্রতিষ্ঠার আন্দোলন শক্তিশালী করতে এবং দেশ, জনগণ এবং দেশের সম্পদ রক্ষা ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় যুক্তফ্রন্টের প্রার্থীদের বিজয়ী করার জন্য আহবান জানানো হয়। গণ সংয়োগ কালে অনুষ্ঠিত পথ সভায় মই মার্কার প্রার্থী খালেকুজ্জামান লিপন এলাকার প্রতিটি প্রতিষ্টান গণতান্ত্রিক উপায়ে স্থানীয় জনগণকে যুক্ত কওে পরিচালনা নিশ্চিত করতে এবং সংসদকে ব্যবসায়ীদের ক্লাবে পরিণত না করা, সংসদ সদস্যদের সম্পদ ও সুবিধা বাড়ানোর ক্ষেত্র হিসাবে ব্যবহার বন্ধ করার পাশাপাশি দেশের সম্পদ বিদেশীদের হাতে তুলে দেয়া বন্ধ করা ও বিদেশে টাকা পাচারকারি, লুটপাটকারী, ঋণ খেলাপি, দুর্নীতিবাজদের ক্ষমতা কেড়ে নিতে “মই” মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদেও প্রতি আহবান জানান।













