মাহতাব ইসলাম :
তাজ উদ্দিন আহমেদ এর ছেলে সোহেল তাজ এর নামে নানা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করে তাহার নিজেস্ব ভেরিফায়েড ফেসবুকে তাহার শুভাকাঙ্ক্ষীদের এক বার্তায় বলেছেন,
“আমার প্রিয় শুভাকাঙ্খী/বন্ধুগণ, একটি কুচক্রী মহল আমার বিরুদ্ধে নানারকম মিথ্যা অপপ্প্রচার চালাচ্ছ- এগুলো সব বানোয়াট এবং মিথ্যা I আপনারা সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন যাতে করে আমি এগুলিকে সত্য দিয়ে মোকাবেলা করতে পারি I সত্যই হবে আমার ঢাল এবং হাতিয়ার I সত্যের জয় হবেই- ইনশা’আল্লাহ “।
তিনি আরও বলেন, ”
অনেকেই বি ডি আর কমিশনের রিপোর্টের বরাত দিয়ে ভুল ব্যাখ্যার মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।
এরই একটি উদহারণ ইউনিফর্ম নিয়ে- এই ইউনিফর্ম আমার জন্য বানানো হয়েছিল I বি ডি আর এর ডি জি জেনারেল শাকিল আমাকে অনুরোধ করেছিলেন তার সাথে বর্ডার এলাকায় BOP (border outpost) পরিদর্শন করতে যাওয়ার জন্য I আমি আমার আমেরিকা সফর থেকে ফিরে এসে মার্চ মাসে যাবার সম্মতি দিয়েছিলাম
আমি BOP পরিদর্শনে যাবার বিষয়টা কমিশনকে দেয়া লিখিত স্টেটমেন্টে বলেছি
নিম্নে সেই স্টেটমেন্টের (৪/৩/২০২৫) একটি অংশ:
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বিভিন্ন সংস্থা ও দপ্তর যেমন ,পুলিশ বাহিনী, আনসার বাহিনী , কারা অধিদপ্তর , কোস্টগার্ড ,ফায়ার সার্ভিস সমূহেরমধ্যে অন্যতম ছিল বিডিআর (তৎকালীন)। সেই সুবাদে তৎকালীন বিডিআর এর ডিজি শহীদ মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদের সাথেআমার কাজ করার সৌভাগ্য হয় । আমি দুইবার পিলখানায় বিডিআরপরিদর্শনে যাই।
(২)
প্রথমবার মন্ত্রী মহোদয়ের সঙ্গী হয়ে এবং দ্বিতীয়বার একান্তই ডিজিমহোদয়ের অনুরোধে যেখানে ডিজি মহোদয় উল্লেখ করেন যে “সামরিকঅফিসারেরা আপনাকে ভীষণ পছন্দ করেন এবং আপনার সাথে সাক্ষাৎকরতে চান “। আমি সম্মতি দেই কারণ আমি নিজেও সেই সামরিককর্মকর্তাদের শ্রদ্ধা (ADMIRE) করতাম তাদের সাহসী ভূমিকার জন্য।
বিভিন্ন সময়ে ডিজি মহোদয়ের সাথে আমার বিবিধ বিষয়েআলাপ-আলোচনা হয়। আলোচনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলোছিল ইন্ডিয়ার দখলকৃত অসংখ্য ছিটমহল (ENCLAVE) পুনরুদ্ধার,ইন্ডিয়া এবং মায়ানমারের সাথে বর্ডার সিকিউরিটি ইস্যু, রোহিঙ্গাঅনুপ্রবেশ রোধে পদক্ষেপ গ্রহণ ইত্যাদি। ২০০৯ সালের ১৫/১৬ইফেব্রুয়ারি তারিখের দিকে ডিজি মহোদয়ের সাথে আমার শেষ কথা হয়এবং ডিজি মহোদয় আমাকে অনুরোধ করেন সরে জমিনে বর্ডারআউটপোস্ট-(BOP) গুলো পরিদর্শনের জন্য। তখন আমি ডিজিমহোদয়কে জানাই ১৯শে ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত আমার বড়মেয়ের ৬ষ্ঠ জন্মবার্ষিকী পালন ও একজন নিকট আত্মীয়র শারীরিকঅসুস্থতা জনিত কারণে তাকে দেখার উদ্দেশ্যে ১৮ ফেব্রুয়ারি হতে ১০ইমার্চ ২০০৯ পর্যন্ত আমি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করব। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরেডিজি মহোদয় সহকারে হেলিকপ্টার যোগে আমি বর্ডার আউটপোস্ট(BOP) পরিদর্শনে যাব । এই অনুযায়ী আমাদের পরিকল্পনা হয় এবংআমার মনে আছে আমি উচ্ছ্বাসিত হয়েছিলাম হেলিকপ্টারে ভ্রমণেরব্যাপারে কারণ এর পূর্বে আমার এমন অভিজ্ঞতা ছিল না কখনোই।এটাই ছিল ডিজি মহোদয়ের সাথে আমার শেষ আলাপ।
পরবর্তীতে ১৮ ই ফেব্রুয়ারি ২০০৯ আমি যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে রওনা করিএবং পরদিন ১৯ শে ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যেরজে.এফ.কে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করি। সেখানেবাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা আমাকে রিসিভ করেন এবং মেরিল্যান্ডের উদ্দেশ্যে আমি সেখান থেকে ট্রেন যোগে রওনা করি।”













