বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর মরদেহ দাফনে জামাতের বাঁধা ও সরকারের উদাসীনতার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়েছেন চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র

- আপডেট সময় : ০৭:১১:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
- / ৫০৩ বার পড়া হয়েছে

মাহ্তাব ইসলামঃ
চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এর কেন্দ্রীয় সভাপতি নিখিল দাস ও সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন পত্রিকায় দেয়া এক বিবৃতিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর মরদেহ দাফনে জামাত ইসলামীর নেতাকর্মীদের বাঁধা ও সরকারের উদাসীনতার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, মানিক পশারী ‘৭১ এর যুদ্ধাপরাধী দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর বিচারে স্বাক্ষী দিয়েছিলেন। এটাকে অজুহাত করে জামাত – শিবিরের নেতা- কর্মীরা তাঁর মরদেহ দাফন করার জন্য যে কবর খুঁড়েছে, সেটা মাটি দিয়ে ভরাট করে দিয়েছে। শুধু তাই নয়, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় নির্ধারিত স্থানে শ্রদ্ধা জানানোর পরিবর্তে পুলিশলাইনে অতি সন্তর্পনে জানানো হয়। এমনকি স্বাধীনতা বিরোধীদের বাঁধায় গভীর রাতে অত্যন্ত চুপিসারে টর্চের আলোয় দুইজন নারী কবর খুঁড়ে তাঁকে দাফন করেছেন। এটি দেশের জন্য চরম লজ্জার। সরকার স্বাধীনতবিরোধী জামাতের কাছে আত্মসমর্পণ করে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। অথচ আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধী ট্রাইব্যুনালে স্বাক্ষী দিয়ে সঠিক কাজটাই তিনি করেছেন।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, চব্বিশের গনঅভ্যুত্থানের পর থেকে পরিকল্পিতভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের উপর হামলা, গলায় জুতার মালা পরানোসহ সারাদেশে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক- ভাষ্কর্য ভেঙ্গে ফেলে দেয়ার কাজটি করেছে একাত্তরের পরাজিত শক্তি। এরা চব্বিশ দিয়ে একাত্তর মুছে দিতে চেয়েছে। কিন্তু এরা জানে না, মুক্তিযুদ্ধ একটি জনযুদ্ধ, এটি বাংলার জনগণের অস্তিত্ব ও আবেগের বিষয়। ফলে একাত্তরে যেমন এদের পরাজয় হয়েছে, আবারও তাদের পরাজয় অনিবার্য। বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর মরদেহ দাফনে বাঁধা দিয়ে এরা চরম দৃষ্টতা দেখিয়েছে। সরকারের উচিত এই অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা। না হলে মুক্তিযুদ্ধের প্রশ্নে সরকারও প্রশ্নবিদ্ধ হবে।












