
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে নিজের পারিবারিক ইতিহাস, আর্থিক স্বচ্ছতা এবং রাজনৈতিক জীবনের নানা দিক তুলে ধরেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রুহুল আমিন। ‘নারায়ণগঞ্জের হলুদ সাংবাদিকদের জ্ঞাতার্থে’ শিরোনামে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করার পাশাপাশি বেশ কিছু দাবি উপস্থাপন করেন।
আরও পড়ুন,
স্ট্যাটাসে রুহুল আমিন দাবি করেন, ১৯৬৬ সালে তার বাবা ফতুল্লা রেলস্টেশনের পূর্ব পাশে ১০.৫০ শতাংশ জমি ক্রয় করে পরবর্তীতে সেখানে নিজস্ব বাড়ি নির্মাণ করেন এবং তার বাবা ১৯৬৯-৭০ সালে ঢাকা ভেজিটেবল অয়েল ও টিসিবি-এর ডিলার ছিলেন। ১৯৮২ সালে যখন তাদের বাড়ির সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হয়, তখন তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিলেন এবং ফতুল্লা রেলস্টেশনের পশ্চিম পাশ থেকে মাথায় করে ইট এনে সেই প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছিল।
আর্থিক স্বচ্ছতার প্রশ্নে তিনি দাবি করেন, তিনি ২০০১ সাল থেকে এবং তার স্ত্রী ২০২১ সাল থেকে নিয়মিত সরকারকে আয়কর দিয়ে আসছেন। পাশাপাশি ঢাকা জিপিও-তে তার স্ত্রীর দুটি ৫ বছর মেয়াদি ডিপিএস রয়েছে, যার একটি ইতোমধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে এবং অন্যটির মেয়াদ ২০২৭ সালের জুনে শেষ হবে। এছাড়া গত ৫ আগস্টের আগে এলাকার কোনো মুদি, সবজি, চা বা মাছের বাজারে তিনি কখনো বাকিতে কেনাকাটা করেননি এবং কারও কাছ থেকে ১০০ টাকাও ধার নেননি।
আরও পড়ুন,
রাজনৈতিক জীবনের প্রসঙ্গ টেনে এই বিএনপি নেতা দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে দেড় শতাধিক মামলা হয়েছে এবং তিনি ১৪ বার কারাবরণ করেছেন; তবে ১৯৯৭ সাল থেকে নিজের মামলার সমস্ত আইনি খরচ তিনি নিজেই বহন করছেন এবং কারামুক্তির ক্ষেত্রে দলীয় আইনজীবীরা অত্যন্ত সামান্য ফি নিয়ে তাকে সহায়তা করেছেন। স্ট্যাটাসের শেষাংশে তিনি ‘চিলে কান নিয়ে গেছে’ প্রবাদের উল্লেখ করে যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো ধরনের অপপ্রচারে বিশ্বাস না করার আহ্বান জানান। এদিকে, ফেসবুকে প্রকাশিত এই স্ট্যাটাসটি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন মহলে বেশ আলোচনা চলছে।
প্রকাশক ও সম্পাদক: কাজী ফারিদ আহমেদ। নির্বাহী সম্পাদকঃ আব্দুর রাজ্জাক। যোগাযোগের ঠিকানা: আলম টাওয়ার, লিফট ৭(৮ তলা), রুম ৮০২, ১২০ মতিঝিল, ঢাকা ১০০০। Email: suanewsagency@gmail.com. Phone: 01766010676.
লাইসেন্স নম্বর: TL No-DSCC/002572/24.